নীলফামারীর জলঢাকায় বাস মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নামে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বাস মালিক ও শ্রমিকরা। এতে প্রায় ৫ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ থাকে।
রবিবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে জলঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করা হয়।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাস মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নামে জেলার ডিমলা উপজেলা থেকে অবিলের বাজার এলাকায় বাস যাতায়াত করতে দুটি স্থানে দৈনিক প্রায় ৯০০ টাকা চাঁদা উত্তোলন করা হয়। চাঁদা দিতে না চাইলে মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়। চাঁদা উত্তোলনের প্রতিবাদে সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করায় শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে বিপাকে পড়ে কয়েক শতাধিক যাত্রী।
রংপুরগামী এক যাত্রী আনোয়ার হোসেন বলেন, আজকে জরুরি কাজের জন্য রংপুরে যেতে বের হয়েছি কিন্তু এখানে এসে দেখি সড়ক অবরোধ করছে। হঠাৎ করে সড়ক অবরোধ করায় চরম দুর্ভোগে পড়েছি।
নাবিল পরিবহনের যাত্রী রবিউল আলম বলেন, সাড়ে ৯টায় বাস ছাড়ার কথা। সেখানে এখনও বাস ছাড়ে নি। কখন যে অবরোধ উঠবে।
পারফেক্ট ট্রাভেলস বাসের পরিচালক মাজহারুল ইসলাম মিঠুন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছি। বাস মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নামে চাঁদা উত্তোলন করা হচ্ছে। আমরা সড়কে কোনো চাঁদা দিতে চাইনা। সারাদেশে বাস চলাচল করে কোনো চাঁদা দিতে হয়না কিন্তু এখানে সামান্য কিছু জায়গায় অনেক চাঁদা নেয়। আমরা প্রশাসনের সহায়তা চাই।
এবিষয়ে জলঢাকা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলে একটা সিদ্ধান্তে আসার পর অবরোধ প্রত্যাহার হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। ততদিন পরবর্তী মিটিং বা সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার টোল বা চাঁদা বা সার্ভিস চার্জ বন্ধ থাকবে। যদি কেউ চাঁদা উত্তোলনের চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

















