০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষা দিতে এসে পুলিশের কাছেই ধরা

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় মামাতো ভাইয়ের পক্ষে লিখিত পরীক্ষা দিতে এসে নীলফামারীতে এক ভুয়া পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ মে) সকালে পুলিশ লাইন্স একাডেমি থেকে আসাদ চন্দ্র নামে ওই যুবককে আটক করা হয়।

আসাদ ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বিরহলি গ্রামের হরিকমল চন্দ্রের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওইদিন পুলিশ কনস্টেবল পদে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় নীলফামারী সদর উপজেলার প্রার্থী শিপন রায়ের হয়ে প্রক্সি দিতে আসেন আসাদ চন্দ্র।

পরীক্ষা শুরুর পূর্বে কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রবেশপত্রের সঙ্গে তার ছবির অমিল ও আচরণে সন্দেহ হলে তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে, শিপন রায় তার মামাতো ভাই এবং তার অনুরোধে পরীক্ষা দিতে এসেছে। আসাদ অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি বলেন, “শিপন আমার মামাতো ভাই। তার অনুরোধে আজকে পরীক্ষা দিতে আসি। আমার ভুল হয়ে গেছে।”

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম আর সাঈদ বলেন, “তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, ওই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য মোট ২৫১ জন প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৈয়দপুর উপজেলা পঃ পঃ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষা দিতে এসে পুলিশের কাছেই ধরা

প্রকাশিত ০১:৩৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় মামাতো ভাইয়ের পক্ষে লিখিত পরীক্ষা দিতে এসে নীলফামারীতে এক ভুয়া পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ মে) সকালে পুলিশ লাইন্স একাডেমি থেকে আসাদ চন্দ্র নামে ওই যুবককে আটক করা হয়।

আসাদ ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বিরহলি গ্রামের হরিকমল চন্দ্রের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওইদিন পুলিশ কনস্টেবল পদে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় নীলফামারী সদর উপজেলার প্রার্থী শিপন রায়ের হয়ে প্রক্সি দিতে আসেন আসাদ চন্দ্র।

পরীক্ষা শুরুর পূর্বে কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রবেশপত্রের সঙ্গে তার ছবির অমিল ও আচরণে সন্দেহ হলে তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে, শিপন রায় তার মামাতো ভাই এবং তার অনুরোধে পরীক্ষা দিতে এসেছে। আসাদ অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি বলেন, “শিপন আমার মামাতো ভাই। তার অনুরোধে আজকে পরীক্ষা দিতে আসি। আমার ভুল হয়ে গেছে।”

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম আর সাঈদ বলেন, “তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, ওই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য মোট ২৫১ জন প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।