০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

সৈয়দপুরে প্রতিমা তৈরির পর রংতুলির শেষ ছোঁয়া

দুর্গাপূজার মন্দিরে কাজে ব্যস্ত ছবি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শেষের পথে। স্থানীয় কারিগররা মাটির প্রতিমার সব কাজ সম্পন্ন করে এখন রংতুলির মাধ্যমে শেষ শোভা সংযোজন করছেন।

এবার সৈয়দপুর উপজেলায় মোট ৮৬টি মন্ডবে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। হিন্দু কল্যাণ সমিতির নেতা রাজ কুমার পোদ্দার জানিয়েছেন, ধর্মীয় আচার অনুযায়ী, মা দুর্গা এবারের পূজায় গজে (হাতি) আগমন করবেন, যা মঙ্গলজনক ধরা হয়েছে। অন্যদিকে, দোলাতে (দোলনা) আগমনকে অমঙ্গলজনক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কয়েক দিনের মধ্যেই দূর্গাপূজা উৎসব শুরু হবে। মন্ডবগুলোতে আগের মতো মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদেরও উপস্থিতি দেখা যাবে, যা সম্প্রতির সুন্দর দৃষ্টান্ত বহন করে।

এছাড়া, মন্ডব স্থাপনাধীন এলাকাজুড়ে প্রস্তুত করা হয়েছে নানা ধরনের দোকানপাট। এসব দোকানে মিষ্টি, মন্ডা, নাড়, মুড়ি, মুড়কি, ছোটদের খেলনা এবং বাড়ি সাজানোর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রীর কেনাবেচা করা হবে। উৎসবের আনন্দ ও বাণিজ্যিক প্রস্তুতি দুটোই এখন পুরোপুরি শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীর ৪টি আসনে ২৭ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ, কে কি প্রতীক পেলেন

সৈয়দপুরে প্রতিমা তৈরির পর রংতুলির শেষ ছোঁয়া

প্রকাশিত ১২:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নীলফামারীর সৈয়দপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শেষের পথে। স্থানীয় কারিগররা মাটির প্রতিমার সব কাজ সম্পন্ন করে এখন রংতুলির মাধ্যমে শেষ শোভা সংযোজন করছেন।

এবার সৈয়দপুর উপজেলায় মোট ৮৬টি মন্ডবে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। হিন্দু কল্যাণ সমিতির নেতা রাজ কুমার পোদ্দার জানিয়েছেন, ধর্মীয় আচার অনুযায়ী, মা দুর্গা এবারের পূজায় গজে (হাতি) আগমন করবেন, যা মঙ্গলজনক ধরা হয়েছে। অন্যদিকে, দোলাতে (দোলনা) আগমনকে অমঙ্গলজনক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কয়েক দিনের মধ্যেই দূর্গাপূজা উৎসব শুরু হবে। মন্ডবগুলোতে আগের মতো মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদেরও উপস্থিতি দেখা যাবে, যা সম্প্রতির সুন্দর দৃষ্টান্ত বহন করে।

এছাড়া, মন্ডব স্থাপনাধীন এলাকাজুড়ে প্রস্তুত করা হয়েছে নানা ধরনের দোকানপাট। এসব দোকানে মিষ্টি, মন্ডা, নাড়, মুড়ি, মুড়কি, ছোটদের খেলনা এবং বাড়ি সাজানোর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রীর কেনাবেচা করা হবে। উৎসবের আনন্দ ও বাণিজ্যিক প্রস্তুতি দুটোই এখন পুরোপুরি শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।