০১:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীতে সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা থেকে কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়ন বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে চাঁদাবাজি, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় নীলফামারী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ এবং জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি আরেফ রব্বানী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত রাসেল, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নূর আলম এবং জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক জামিয়ার রহমান প্রমুখ।

এসময় বক্তব্যে বক্তারা বলেন, গত ৫ জুলাই জলঢাকা উপজেলা শহরে অবৈধ চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তুলে পরিবহন ধর্মঘট ডাকেন পরিবহন মালিকগণ । তবে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে বলে তারা দাবি করেন।

তাদের অভিযোগ, ঈদুল আজহার পর ডিমলা-জলঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কের মাগুড়া বাস স্ট্যান্ড এলাকার অদূরে একটি অস্থায়ী স্ট্যান্ড স্থাপন করে বৈধ যানবাহন থেকে ২০০ টাকা এবং বাইরের অনুমতিবিহীন যানবাহন থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, তারাই আবার সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের নিরপেক্ষ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। কিছু পরিবহন মালিক ও একটি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে জেলার পরিবহন খাতকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে, যা স্থানীয় পরিবহন মালিকদের ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে ডিমলা থেকে কিশোরগঞ্জের মাগুড়া পর্যন্ত সড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

এসময় সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের অর্থ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য আফজাল হোসেন, আবু গোফরান সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারীতে সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত ০৭:৪৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা থেকে কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়ন বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে চাঁদাবাজি, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় নীলফামারী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ এবং জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি আরেফ রব্বানী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত রাসেল, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নূর আলম এবং জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক জামিয়ার রহমান প্রমুখ।

এসময় বক্তব্যে বক্তারা বলেন, গত ৫ জুলাই জলঢাকা উপজেলা শহরে অবৈধ চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তুলে পরিবহন ধর্মঘট ডাকেন পরিবহন মালিকগণ । তবে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে বলে তারা দাবি করেন।

তাদের অভিযোগ, ঈদুল আজহার পর ডিমলা-জলঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কের মাগুড়া বাস স্ট্যান্ড এলাকার অদূরে একটি অস্থায়ী স্ট্যান্ড স্থাপন করে বৈধ যানবাহন থেকে ২০০ টাকা এবং বাইরের অনুমতিবিহীন যানবাহন থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, তারাই আবার সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের নিরপেক্ষ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। কিছু পরিবহন মালিক ও একটি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে জেলার পরিবহন খাতকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে, যা স্থানীয় পরিবহন মালিকদের ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে ডিমলা থেকে কিশোরগঞ্জের মাগুড়া পর্যন্ত সড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

এসময় সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের অর্থ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য আফজাল হোসেন, আবু গোফরান সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।