০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বাবার সঙ্গে বাজারে গিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না শিশু আলিফের

বাবার সঙ্গে বাজারে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না ৭ বছরের শিশু আলিফের। রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ হারায় সে।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে জেলা সদরের পঞ্জপুকুর ইউনিয়নের উত্তরাশষী মিলনবাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সে ওই ইউনিয়নের উত্তরাশষী গ্রামের জাহাঙ্গীর ইসলামের ছেলে।

এলাকাবাসী জানায়, বাবার সঙ্গে বাজারে এসেছিল আলিফ। সে রাস্তা পার হওয়ার সময় দৌড় দেয়। এ সময় সদর থানা পুলিশের একটি টহল পিকআপ ওই পথে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে দৌড় দেওয়ায় ওই পিকআপের বাম্পারে ধাক্কা লেগে আহত হয় সে।

তখন ওই গাড়িতে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম আর সাঈদ বলেন, শিশুটি হঠাৎ করে দৌড় দিয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে আমাদের টহল গাড়ির বাম্পারে ধাক্কা লাগে। এ সময় ওই গাড়িতে থাকা পুলিশ সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

তিনি বলেন, মূলত অভিভাবক এবং শিশুটির অসাবধানতার কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিমলায় নববধূ অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের আলোচিত ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

বাবার সঙ্গে বাজারে গিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না শিশু আলিফের

প্রকাশিত ০২:১৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

বাবার সঙ্গে বাজারে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না ৭ বছরের শিশু আলিফের। রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ হারায় সে।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে জেলা সদরের পঞ্জপুকুর ইউনিয়নের উত্তরাশষী মিলনবাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সে ওই ইউনিয়নের উত্তরাশষী গ্রামের জাহাঙ্গীর ইসলামের ছেলে।

এলাকাবাসী জানায়, বাবার সঙ্গে বাজারে এসেছিল আলিফ। সে রাস্তা পার হওয়ার সময় দৌড় দেয়। এ সময় সদর থানা পুলিশের একটি টহল পিকআপ ওই পথে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে দৌড় দেওয়ায় ওই পিকআপের বাম্পারে ধাক্কা লেগে আহত হয় সে।

তখন ওই গাড়িতে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম আর সাঈদ বলেন, শিশুটি হঠাৎ করে দৌড় দিয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে আমাদের টহল গাড়ির বাম্পারে ধাক্কা লাগে। এ সময় ওই গাড়িতে থাকা পুলিশ সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

তিনি বলেন, মূলত অভিভাবক এবং শিশুটির অসাবধানতার কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।