১২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীতে প্রাথমিক বৃত্তি পেল ১ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ নীলফামারী জেলার ছয় উপজেলার মোট ১ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। সরকারি ও বেসরকারি কোটায় ট্যালেন্টপুল এবং সাধারণ বৃত্তি মিলিয়ে এ ফল প্রকাশিত হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে নীলফামারী সদর উপজেলায়। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জলঢাকা উপজেলা, যেখানে ২৪০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা সৈয়দপুর উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ২৩৫ জন। এছাড়া ডিমলা উপজেলায় ১৮৩ জন, ডোমারে ১৮১ জন এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১৫৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে।

উপজেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়,
নীলফামারী সদরে ট্যালেন্টপুল (সরকারি) বৃত্তি পেয়েছে ৭০ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ২৭ জন, সাধারণ (সরকারি) ১১৪ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৪১ জন।

সৈয়দপুর উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৪৮ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ৩৫ জন, সাধারণ (সরকারি) ১০০ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৫২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

ডোমার উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৬৫ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ১২ জন, সাধারণ (সরকারি) ৮৬ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ১৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

ডিমলা উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৬৫ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ২৭ জন, সাধারণ (সরকারি) ৫০ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৪১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

জলঢাকা উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৮৮ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ২১ জন, সাধারণ (সরকারি) ১০০ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৩১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৪৫ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ২৬ জন, সাধারণ (সরকারি) ৪৫ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৩৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রবিউল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জেলার শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য অত্যন্ত আনন্দের। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মানোন্নয়নে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতাও আরও শক্তিশালী হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় বন্যার আশঙ্কা, তিস্তা নদী বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে

নীলফামারীতে প্রাথমিক বৃত্তি পেল ১ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত ০২:৩২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ নীলফামারী জেলার ছয় উপজেলার মোট ১ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। সরকারি ও বেসরকারি কোটায় ট্যালেন্টপুল এবং সাধারণ বৃত্তি মিলিয়ে এ ফল প্রকাশিত হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে নীলফামারী সদর উপজেলায়। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জলঢাকা উপজেলা, যেখানে ২৪০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা সৈয়দপুর উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ২৩৫ জন। এছাড়া ডিমলা উপজেলায় ১৮৩ জন, ডোমারে ১৮১ জন এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১৫৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে।

উপজেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়,
নীলফামারী সদরে ট্যালেন্টপুল (সরকারি) বৃত্তি পেয়েছে ৭০ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ২৭ জন, সাধারণ (সরকারি) ১১৪ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৪১ জন।

সৈয়দপুর উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৪৮ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ৩৫ জন, সাধারণ (সরকারি) ১০০ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৫২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

ডোমার উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৬৫ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ১২ জন, সাধারণ (সরকারি) ৮৬ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ১৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

ডিমলা উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৬৫ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ২৭ জন, সাধারণ (সরকারি) ৫০ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৪১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

জলঢাকা উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৮৮ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ২১ জন, সাধারণ (সরকারি) ১০০ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৩১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ট্যালেন্টপুল (সরকারি) ৪৫ জন, ট্যালেন্টপুল (বেসরকারি) ২৬ জন, সাধারণ (সরকারি) ৪৫ জন এবং সাধারণ (বেসরকারি) ৩৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রবিউল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জেলার শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য অত্যন্ত আনন্দের। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মানোন্নয়নে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতাও আরও শক্তিশালী হবে।