০২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে নীলফামারীতে মিষ্টি বিতরণ

জুলাই গণহত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে নীলফামারীতে মিষ্টি বিতরণ করেছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দরা।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে ৩টায় রায় ঘোষণার পরপরই জেলা জজ আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন তারা।

এসময় জেলা আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান রিনো বলেন, “জুলাই গণহত্যার ন্যায়বিচারের জন্য দেশের মানুষ অপেক্ষা করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই রায় অত্যন্ত বহুল প্রত্যাশিত। আমরা বিশ্বাস করি, শেখ , হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় দ্রুত কার্যকর হলে জনগণের ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ আইনের শাসনের রাষ্ট্র—এ রায়ের মাধ্যমে তা আবারও প্রমাণিত হলো।” এসময় উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা সজীব, সদস্য নুর মোহাম্মদ মিশন, মোহাম্মদ হুজুর আলী, মুরছালিন রায়হান, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা আব্দুস সালাম বাবলা সহ অন্যান্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুনীর্তিবিরোধী দিবস পালিত

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে নীলফামারীতে মিষ্টি বিতরণ

প্রকাশিত ০৯:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণহত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে নীলফামারীতে মিষ্টি বিতরণ করেছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দরা।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে ৩টায় রায় ঘোষণার পরপরই জেলা জজ আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন তারা।

এসময় জেলা আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান রিনো বলেন, “জুলাই গণহত্যার ন্যায়বিচারের জন্য দেশের মানুষ অপেক্ষা করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই রায় অত্যন্ত বহুল প্রত্যাশিত। আমরা বিশ্বাস করি, শেখ , হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় দ্রুত কার্যকর হলে জনগণের ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ আইনের শাসনের রাষ্ট্র—এ রায়ের মাধ্যমে তা আবারও প্রমাণিত হলো।” এসময় উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা সজীব, সদস্য নুর মোহাম্মদ মিশন, মোহাম্মদ হুজুর আলী, মুরছালিন রায়হান, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা আব্দুস সালাম বাবলা সহ অন্যান্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।