০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

নীলফামারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের দুইজন নিহত

নীলফামারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও একজন। বুধবার (২১ মে) দুপুরে জেলা সদরের চাপড়া সরমজানি ইউনিয়নের ইটা পির ফকিরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ওই এলাকার বাউড়া ফকিরের ছেলে সোলেমান বাবু (৭০) ও তার ছেলে ওয়াজেদ আলীর স্ত্রী সাবানা বেগম (৩৫)। একই ঘটনায় সোলেমান বাবুর স্ত্রী ওয়াতন বেগম (৬৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঝড় বৃষ্টির কারণে বসতবাড়ি ভেঙে যাওয়ায় বাঁশের খুঁটি লাগানোর কাজ করছিলেন সোলেমান বাবু। বাঁশের খুঁটি লাগানোর কাজ করার সময় বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে স্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে তার স্ত্রী ওয়াতন বেগম ও তাদের পুত্রবধূ সাবানা বেগম। এ সময় তারাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলে মারা যান পুত্রবধূ সাবানা বেগম। পরে আশেপাশের লোকজন সোলেমান বাবুর স্ত্রী ওয়াতন বেগমকে উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান।

নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর সাঈদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে দুইজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা

নীলফামারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের দুইজন নিহত

প্রকাশিত ০৭:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

নীলফামারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও একজন। বুধবার (২১ মে) দুপুরে জেলা সদরের চাপড়া সরমজানি ইউনিয়নের ইটা পির ফকিরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ওই এলাকার বাউড়া ফকিরের ছেলে সোলেমান বাবু (৭০) ও তার ছেলে ওয়াজেদ আলীর স্ত্রী সাবানা বেগম (৩৫)। একই ঘটনায় সোলেমান বাবুর স্ত্রী ওয়াতন বেগম (৬৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঝড় বৃষ্টির কারণে বসতবাড়ি ভেঙে যাওয়ায় বাঁশের খুঁটি লাগানোর কাজ করছিলেন সোলেমান বাবু। বাঁশের খুঁটি লাগানোর কাজ করার সময় বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে স্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে তার স্ত্রী ওয়াতন বেগম ও তাদের পুত্রবধূ সাবানা বেগম। এ সময় তারাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলে মারা যান পুত্রবধূ সাবানা বেগম। পরে আশেপাশের লোকজন সোলেমান বাবুর স্ত্রী ওয়াতন বেগমকে উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান।

নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর সাঈদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে দুইজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।