১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

পরিদর্শণে এসে সাঁকো ভেঙে নদীতে

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতরা ইউনিয়নের নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি সাঁকো পরিদর্শণ করতে গিয়ে ওই সাঁকো ভেঙে নদীতে পড়ে যান জামায়াত নেতা-কর্মীরা। সেখানে জামায়াতের স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার উপস্থিত থাকলেও ভাগ্যক্রমে তিনি পড়েননি।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকাল সারে ১১টার দিকে। প্রত্যক্ষদর্শিরা জানায় স্থানীয় বাসিন্দারা ডিমলা উপজেলা সদরের সঙ্গে নাউতরার যোগাযোগের জন্য নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি বাশের সাঁকোর স্থানে একটি সেতু নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসছিলেন। ওই দাবির প্রেক্ষিতে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা)আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার জামায়াতের স্থানীয় তেৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে ওই সাঁকো পরিদর্শণে যান।

সকাল সারে ১১টার দিকে ওই সাঁকোর স্থানে পৌছে সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ওই সাঁেকার ওপর উঠলে বাশের সাঁকোটি ভেঙে পড়ে। এসময় নেতা-কর্মীরা সাঁেকার নিচে পড়ে যায়। তবে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার যে স্থানে দাড়িয়েেিলন সেটি অক্ষত থাকার কারনে তিনি রক্ষা পনা। এ ঘটনায় উপজেলা জামায়াতের আমির মো. মজিবুর রহমান, নায়েবে আমির কাজী হাবিবুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মো. রোকনুজ্জাান, সংসদ সদস্যের দেহরক্ষী আব্দুল মান্নান, ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নূর মোবাশ্বেরসহ ৮ থেকে ১০জন নেতা-কর্মী ওই সাঁকো থেকে সাঁকোর নিচে পড়ে যান। এতে কেউ গুরুত্বর আহত হননি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিৎ করে ডিমলা উপজেলা জমায়াতের সেক্রেটারী মো. রোকনুজ্জামান ওরফে বকুল বলেন, ‘ সেখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের আমন্ত্রনে স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে আমরা সেখানে যাই। সাঁকোটি পরিদর্শণের সময় হঠাৎ করে সাঁেকাটি ভেঙে পড়ে। এতে করে আমরাসহ স্থানীয় কিছু লোকজন ওই সাঁকো থেকে পড়ে যাই। তবে সংসদ সদস্য যে স্থানে দাঢ়য়েছিলেন সেটি না ভাঙায় তিনি রক্ষা পান।’

তবে ওই ঘটনায় কেউ গুরুত্বর আহত হননি বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

বিষয়
জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে ক্ষুব্ধ গ্রাহক

পরিদর্শণে এসে সাঁকো ভেঙে নদীতে

প্রকাশিত ০৭:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতরা ইউনিয়নের নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি সাঁকো পরিদর্শণ করতে গিয়ে ওই সাঁকো ভেঙে নদীতে পড়ে যান জামায়াত নেতা-কর্মীরা। সেখানে জামায়াতের স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার উপস্থিত থাকলেও ভাগ্যক্রমে তিনি পড়েননি।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকাল সারে ১১টার দিকে। প্রত্যক্ষদর্শিরা জানায় স্থানীয় বাসিন্দারা ডিমলা উপজেলা সদরের সঙ্গে নাউতরার যোগাযোগের জন্য নাউতরা নদীর ওপর নটাবাড়ি বাশের সাঁকোর স্থানে একটি সেতু নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসছিলেন। ওই দাবির প্রেক্ষিতে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা)আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার জামায়াতের স্থানীয় তেৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে ওই সাঁকো পরিদর্শণে যান।

সকাল সারে ১১টার দিকে ওই সাঁকোর স্থানে পৌছে সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ওই সাঁেকার ওপর উঠলে বাশের সাঁকোটি ভেঙে পড়ে। এসময় নেতা-কর্মীরা সাঁেকার নিচে পড়ে যায়। তবে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার যে স্থানে দাড়িয়েেিলন সেটি অক্ষত থাকার কারনে তিনি রক্ষা পনা। এ ঘটনায় উপজেলা জামায়াতের আমির মো. মজিবুর রহমান, নায়েবে আমির কাজী হাবিবুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মো. রোকনুজ্জাান, সংসদ সদস্যের দেহরক্ষী আব্দুল মান্নান, ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নূর মোবাশ্বেরসহ ৮ থেকে ১০জন নেতা-কর্মী ওই সাঁকো থেকে সাঁকোর নিচে পড়ে যান। এতে কেউ গুরুত্বর আহত হননি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিৎ করে ডিমলা উপজেলা জমায়াতের সেক্রেটারী মো. রোকনুজ্জামান ওরফে বকুল বলেন, ‘ সেখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের আমন্ত্রনে স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে আমরা সেখানে যাই। সাঁকোটি পরিদর্শণের সময় হঠাৎ করে সাঁেকাটি ভেঙে পড়ে। এতে করে আমরাসহ স্থানীয় কিছু লোকজন ওই সাঁকো থেকে পড়ে যাই। তবে সংসদ সদস্য যে স্থানে দাঢ়য়েছিলেন সেটি না ভাঙায় তিনি রক্ষা পান।’

তবে ওই ঘটনায় কেউ গুরুত্বর আহত হননি বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।