০২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

নীলফামারীতে জুলাই অভ্যুত্থান দিবসে শহীদদের কবর জিয়ারত

জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়েছে অভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোবাডাঙ্গায় আরাজীপাড়া গ্রামে শহীদ রুবেলের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথমে সকাল ৯ টায় পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক মোঃ নায়িরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোহসিন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার আতাউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) দীপঙ্কর রায় সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।

পুষ্পমাল্য অপর্ণ শেষে জুলাই আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে জেলার বাকি তিন শহীদের সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, শহীদ রুবেল ছিলেন গোড়গ্রাম ইউনিয়নের মো. রফিকুল ইসলাম ছেলে ও ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন তিনি।

গত ২৪-এর অভ্যুত্থানে (৫ আগস্ট) গুলিতে আহত হন রুবেল । পরে তাঁকে শ্যামলীর সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ আগস্ট সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। সেদিন রাতেই নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন কার্য সম্পন্ন হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীর ৪টি আসনে ২৭ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ, কে কি প্রতীক পেলেন

নীলফামারীতে জুলাই অভ্যুত্থান দিবসে শহীদদের কবর জিয়ারত

প্রকাশিত ০২:১১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়েছে অভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোবাডাঙ্গায় আরাজীপাড়া গ্রামে শহীদ রুবেলের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথমে সকাল ৯ টায় পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক মোঃ নায়িরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোহসিন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার আতাউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) দীপঙ্কর রায় সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।

পুষ্পমাল্য অপর্ণ শেষে জুলাই আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে জেলার বাকি তিন শহীদের সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, শহীদ রুবেল ছিলেন গোড়গ্রাম ইউনিয়নের মো. রফিকুল ইসলাম ছেলে ও ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন তিনি।

গত ২৪-এর অভ্যুত্থানে (৫ আগস্ট) গুলিতে আহত হন রুবেল । পরে তাঁকে শ্যামলীর সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ আগস্ট সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। সেদিন রাতেই নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন কার্য সম্পন্ন হয়।