০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

কিশোরগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসুচিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পচাঁ কলা বিতরন

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ে পঁচা কলা গ্রহন করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরন করার অভিযোগে গাড়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মেরিনা খাতুনকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার গাড়াগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত মঙ্গলবার(১৮ আগষ্ট) নিম্নমানের ও পঁচাকলা গ্রহন করে প্রধান শিক্ষিকা মেরিনা খাতুন কোমলমতী শিক্ষার্থী মাঝে বিতরন করে। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বুধবার ওই প্রধান শিক্ষিকাকে কৈফিয়ত তলব করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেন।

অভিযোগ রয়েছে, স্কুল ফিডিং কর্মসুচী বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) উপজেলার ১৭৫ টি বিদ্যালয়ে কলা,রুটি,গুরো দুধ,বিস্কুট সরবরাহ করে। ওই সব স্কুল গুলোতে প্রায় নিম্নমানের পঁচা কলা, পচাঁ ডিম ও বাসি রুটি সরবরাহ করা হয়। সরবরাহকারী প্রতিষ্টানের সাথে কিছু প্রধান শিক্ষকের নিকট আত্নীয় জড়িত থাকার কারনে এসব বিদ্যালয়ে নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

গত ৯ জুলাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান বাহাগিলি ইউনিয়নের নয়ানখাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসুচি পরিদর্শনে গিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সরবরাহকৃত পচাঁ ডিম দেখতে পান। এদিকে পুষনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পচাঁ ডিম সরবরাহ করার ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও ওই তদন্ত কমিটি প্রভাবশালীদের চাপে আর আলোর মুখ দেখেনি।

গাড়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মেরিনা খাতুন বলেন, সরবরাহ কারী প্রতিষ্টান পচাঁ কলা বিতরন করলেও আমি শিক্ষার্থীদের মাঝে তা বিতরন করিনি। পরবর্তীতে ওইসব পচাঁ কলা পরিবর্তন করে নিয়েছি।

স্কুল ফিডিং কর্মসুচি বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইএসডিওএর ম্যানেজার সামছুল আলম বলেন, পচাঁ কলা বিতরনের বিষয়টি আমার জানা নেই আজকে আপনার কাছ থেকে জানলাম।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন স্কুল ফিডিং কর্মসুচিতে পচাঁ কলা সরবরাহ করার কথা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে ওই প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব করে জবাব চেয়েছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডোমারে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের গোলবার কেটে নিয়ে গেলো প্রধান শিক্ষিকা

কিশোরগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসুচিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পচাঁ কলা বিতরন

প্রকাশিত ০৭:০৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ে পঁচা কলা গ্রহন করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরন করার অভিযোগে গাড়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মেরিনা খাতুনকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার গাড়াগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত মঙ্গলবার(১৮ আগষ্ট) নিম্নমানের ও পঁচাকলা গ্রহন করে প্রধান শিক্ষিকা মেরিনা খাতুন কোমলমতী শিক্ষার্থী মাঝে বিতরন করে। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বুধবার ওই প্রধান শিক্ষিকাকে কৈফিয়ত তলব করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেন।

অভিযোগ রয়েছে, স্কুল ফিডিং কর্মসুচী বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) উপজেলার ১৭৫ টি বিদ্যালয়ে কলা,রুটি,গুরো দুধ,বিস্কুট সরবরাহ করে। ওই সব স্কুল গুলোতে প্রায় নিম্নমানের পঁচা কলা, পচাঁ ডিম ও বাসি রুটি সরবরাহ করা হয়। সরবরাহকারী প্রতিষ্টানের সাথে কিছু প্রধান শিক্ষকের নিকট আত্নীয় জড়িত থাকার কারনে এসব বিদ্যালয়ে নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

গত ৯ জুলাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান বাহাগিলি ইউনিয়নের নয়ানখাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসুচি পরিদর্শনে গিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সরবরাহকৃত পচাঁ ডিম দেখতে পান। এদিকে পুষনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পচাঁ ডিম সরবরাহ করার ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও ওই তদন্ত কমিটি প্রভাবশালীদের চাপে আর আলোর মুখ দেখেনি।

গাড়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মেরিনা খাতুন বলেন, সরবরাহ কারী প্রতিষ্টান পচাঁ কলা বিতরন করলেও আমি শিক্ষার্থীদের মাঝে তা বিতরন করিনি। পরবর্তীতে ওইসব পচাঁ কলা পরিবর্তন করে নিয়েছি।

স্কুল ফিডিং কর্মসুচি বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইএসডিওএর ম্যানেজার সামছুল আলম বলেন, পচাঁ কলা বিতরনের বিষয়টি আমার জানা নেই আজকে আপনার কাছ থেকে জানলাম।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন স্কুল ফিডিং কর্মসুচিতে পচাঁ কলা সরবরাহ করার কথা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে ওই প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব করে জবাব চেয়েছি।