০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ইউএনও’র পৃষ্ঠপোষকতায় সৈয়দপুরে ঝিমিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনে প্রাণ ফিরেছে

নীলফামারীর সৈয়দপুরের ঝিমিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গন দীর্ঘদিন পর প্রাণ ফিরে পেয়েছে। আর এই কৃতিত্বের অন্যতম ব্যক্তিত্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহা ফাতেহা তাকমিলা। তাঁর আন্তরিক বদান্যতায় ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় আবারও জেগে উঠেছে ফুটবল, ক্রিকেটসহ সব ধরনের খেলাধুলার অঙ্গন।

ফলে ক্রীড়া সংগঠকসহ সর্বস্তরের খেলোয়াড়দের মাঝে উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। উজ্জীবিত হয়েছেন অভিভাবকসহ শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। এতে সৈয়দপুরের ক্রীড়া ঐতিহ্যের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

নিয়মিত পৃষ্ঠপোষকতা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে রাত্রিকালীন ফুটবল খেলার প্রচলন করা সংগঠন নাইট ফুটবল ক্লাব (এনএফসি) এর জন্য উপহার হিসেবে খেলার সামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি। বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১২ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে নেটসহ ২ টি মিনি গোলপোস্ট ও ১টি ফুটবল তুলে দেন ওই সংগঠনের নেতৃবৃন্দের হাতে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এনএফসি এর সভাপতি সাংবাদিক জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফটো সাংবাদিক মো. সোহেল। এছাড়াও সাংবাদিক শাহজাহান আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রামাণিক, জাতীয় ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব মোক্তার আনসারী, সাবেক পৌর কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন গুড্ডু ও সেকেন্দার আলী, ক্ষুদ্র গার্মেন্টস পন্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী সাজু।

শহর রেলওয়ে কারখানার জন্য শ্রমিকের শহর হিসেবে পরিচিত। কালের পরিক্রমায় তা পরিণত হয়েছে শিল্প ও শিক্ষার নগীরতে। একই সাথে ক্রীড়ার ক্ষেত্রেও তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে নিজস্ব পরিচয়। কিন্তু নানা কারণে দীর্ঘদিন থেকে সেই ঐতিহ্যে ভাটা পড়ে। বিশেষ করে খেলাধুলার যে দূর্বার গতি ছিল তা চরমভাবে ঝিমিয়ে পড়ে। ফলে শহরজুড়ে ক্রীড়া সংগঠনগুলো থমকে যায় এবং খেলার মাঠগুলো মাদকাসক্তদের আখড়ায় পরিণত হয়।

এমন করেই শহরের প্রাণ কেন্দ্রে সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠও মাদক ও জুয়ার আসর হয়ে উঠে। পাশেই রেলওয়ে পুলিশের এসপি অফিস এবং পশ্চিম দিকে লাইন পার হলেই থানা। তারপর বন্ধ হয়নি এই বেআইনি কারবার। ফলে পুরো মাঠের পরিবেশ হয়ে পড়েছিল নোংরা ও অবৈধ। একারণে সাধারণ মানুষ মাঠে ঢুকতেই পারতোনা। এমতাবস্থায় গত মাস থেকে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী মিলে শুরু করে রাতের বেলা ফুটবল খেলা।

এরপর থেকে মাঠের সেই নষ্ট পরিবেশ বদলে যেতে শুরু করেছে। তাদের দেখে আরও কিছু মানুষ মাঠের অন্যপাশে খেলছে। এভাবে এখন প্রায় ৩-৪ টা দলে ৩০-৪০ জন নিয়মিত রাত্রিকালিন ফুটবল খেলায় মেতেছেন। এই সুন্দর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে উপহার হিসেবে উক্ত ক্রীড়া উপকরণ প্রদান করেন ইউএনও।

বিষয়
জনপ্রিয় সংবাদ

সৈয়দপুরে বাস থেকে ১০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, একজন আটক

ইউএনও’র পৃষ্ঠপোষকতায় সৈয়দপুরে ঝিমিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনে প্রাণ ফিরেছে

প্রকাশিত ০৬:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

নীলফামারীর সৈয়দপুরের ঝিমিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গন দীর্ঘদিন পর প্রাণ ফিরে পেয়েছে। আর এই কৃতিত্বের অন্যতম ব্যক্তিত্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহা ফাতেহা তাকমিলা। তাঁর আন্তরিক বদান্যতায় ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় আবারও জেগে উঠেছে ফুটবল, ক্রিকেটসহ সব ধরনের খেলাধুলার অঙ্গন।

ফলে ক্রীড়া সংগঠকসহ সর্বস্তরের খেলোয়াড়দের মাঝে উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। উজ্জীবিত হয়েছেন অভিভাবকসহ শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। এতে সৈয়দপুরের ক্রীড়া ঐতিহ্যের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

নিয়মিত পৃষ্ঠপোষকতা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে রাত্রিকালীন ফুটবল খেলার প্রচলন করা সংগঠন নাইট ফুটবল ক্লাব (এনএফসি) এর জন্য উপহার হিসেবে খেলার সামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি। বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১২ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে নেটসহ ২ টি মিনি গোলপোস্ট ও ১টি ফুটবল তুলে দেন ওই সংগঠনের নেতৃবৃন্দের হাতে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এনএফসি এর সভাপতি সাংবাদিক জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফটো সাংবাদিক মো. সোহেল। এছাড়াও সাংবাদিক শাহজাহান আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রামাণিক, জাতীয় ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব মোক্তার আনসারী, সাবেক পৌর কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন গুড্ডু ও সেকেন্দার আলী, ক্ষুদ্র গার্মেন্টস পন্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী সাজু।

শহর রেলওয়ে কারখানার জন্য শ্রমিকের শহর হিসেবে পরিচিত। কালের পরিক্রমায় তা পরিণত হয়েছে শিল্প ও শিক্ষার নগীরতে। একই সাথে ক্রীড়ার ক্ষেত্রেও তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে নিজস্ব পরিচয়। কিন্তু নানা কারণে দীর্ঘদিন থেকে সেই ঐতিহ্যে ভাটা পড়ে। বিশেষ করে খেলাধুলার যে দূর্বার গতি ছিল তা চরমভাবে ঝিমিয়ে পড়ে। ফলে শহরজুড়ে ক্রীড়া সংগঠনগুলো থমকে যায় এবং খেলার মাঠগুলো মাদকাসক্তদের আখড়ায় পরিণত হয়।

এমন করেই শহরের প্রাণ কেন্দ্রে সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠও মাদক ও জুয়ার আসর হয়ে উঠে। পাশেই রেলওয়ে পুলিশের এসপি অফিস এবং পশ্চিম দিকে লাইন পার হলেই থানা। তারপর বন্ধ হয়নি এই বেআইনি কারবার। ফলে পুরো মাঠের পরিবেশ হয়ে পড়েছিল নোংরা ও অবৈধ। একারণে সাধারণ মানুষ মাঠে ঢুকতেই পারতোনা। এমতাবস্থায় গত মাস থেকে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী মিলে শুরু করে রাতের বেলা ফুটবল খেলা।

এরপর থেকে মাঠের সেই নষ্ট পরিবেশ বদলে যেতে শুরু করেছে। তাদের দেখে আরও কিছু মানুষ মাঠের অন্যপাশে খেলছে। এভাবে এখন প্রায় ৩-৪ টা দলে ৩০-৪০ জন নিয়মিত রাত্রিকালিন ফুটবল খেলায় মেতেছেন। এই সুন্দর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে উপহার হিসেবে উক্ত ক্রীড়া উপকরণ প্রদান করেন ইউএনও।