০৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীতে বৈশাখী ঝড়ে ঘর-বাড়ি সহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জে বৈশাখী ঝড়ে প্রায় শতাধিক ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে তার ছিড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। 

জানা যায়, শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ বৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হয়। এসময় ঝড়ো বাতাসে মাত্র কয়েক মিনিটে উপজেলার সদর, বড়ভিটা, মাগুড়া ইউনিয়নে শতাধিক ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। অনেক ঘর বাড়ির টিনের চালাও উড়ে গিয়েছে ঝড়ে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় গাছের ডাল পড়ে বিদ্যুতের তার ছিড়ে যায়। ফলে দুরাকুটি, গদাসহ কয়েকটি গ্রাম রাত থেকে বিদ্যুৎ বিহীন হয়। অন্যদিকে ঝড়ো বাতাসে উপজেলার শতাধিক হেক্টর ভুট্টা দুমড়ে মুচড়ে মাটির সাথে হেলে পড়াসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষকরা জানান।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) এবিষয়ে মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠু জানান, ঝড়ে আমার ইউনিয়নে প্রায় ৩০টি ঘর বাড়ি তছনছ হয়েছে। অনেকের ঘরের চালা উড়ে গেছে। ব্যাপক গাছ ভেঙ্গে পড়াসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কিশোরীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম জানান, ঝড়ে ৩৫ হেক্টর ভুট্টা খেতের ক্ষতি হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পেয়েছি। মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করা হচ্ছে।

এদিকে উপজেলা নেসকো বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী আরেফিন ইসলাম জানান, বিভিন্ন স্থানে গাছ পড়ে তার ছিড়ে যাওয়ায় কিছু কিছু এলাকায় শনিবার রাত থেকে বিদ্যুৎ নেই। আমাদের লোক কাজ করছে।

কিশোরীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লতিফুর রহমান জানান, তিনটি ইউনিয়নে প্রায় ৭০টি ঘর বাড়ি ক্ষতির তথ্য পেয়েছি। মাঠ পর্যায়ের তালিকা তৈরি হচ্ছে।

কিশোরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান জানান, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি শেষ হলে দ্রুত সহায়তা প্রদান করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন

নীলফামারীতে বৈশাখী ঝড়ে ঘর-বাড়ি সহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশিত ০৮:৫৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জে বৈশাখী ঝড়ে প্রায় শতাধিক ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে তার ছিড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। 

জানা যায়, শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ বৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হয়। এসময় ঝড়ো বাতাসে মাত্র কয়েক মিনিটে উপজেলার সদর, বড়ভিটা, মাগুড়া ইউনিয়নে শতাধিক ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। অনেক ঘর বাড়ির টিনের চালাও উড়ে গিয়েছে ঝড়ে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় গাছের ডাল পড়ে বিদ্যুতের তার ছিড়ে যায়। ফলে দুরাকুটি, গদাসহ কয়েকটি গ্রাম রাত থেকে বিদ্যুৎ বিহীন হয়। অন্যদিকে ঝড়ো বাতাসে উপজেলার শতাধিক হেক্টর ভুট্টা দুমড়ে মুচড়ে মাটির সাথে হেলে পড়াসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষকরা জানান।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) এবিষয়ে মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠু জানান, ঝড়ে আমার ইউনিয়নে প্রায় ৩০টি ঘর বাড়ি তছনছ হয়েছে। অনেকের ঘরের চালা উড়ে গেছে। ব্যাপক গাছ ভেঙ্গে পড়াসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কিশোরীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম জানান, ঝড়ে ৩৫ হেক্টর ভুট্টা খেতের ক্ষতি হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পেয়েছি। মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করা হচ্ছে।

এদিকে উপজেলা নেসকো বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী আরেফিন ইসলাম জানান, বিভিন্ন স্থানে গাছ পড়ে তার ছিড়ে যাওয়ায় কিছু কিছু এলাকায় শনিবার রাত থেকে বিদ্যুৎ নেই। আমাদের লোক কাজ করছে।

কিশোরীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লতিফুর রহমান জানান, তিনটি ইউনিয়নে প্রায় ৭০টি ঘর বাড়ি ক্ষতির তথ্য পেয়েছি। মাঠ পর্যায়ের তালিকা তৈরি হচ্ছে।

কিশোরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান জানান, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি শেষ হলে দ্রুত সহায়তা প্রদান করা হবে।