০৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ডোমারে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীর ডোমারে নিজ শয়ন ঘর থেকে ফাতেমা বেগম (৫৫) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালের দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। ফাতেমা বেগম উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের জামির বাড়ি ছোট হুজুরপাড়া গ্রামের  মো. মকসিদুল ইসলামের স্ত্রী।

প্রতিবেশী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায় ফাতেমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। তিনি প্রায়ই বাড়ি থেকে বিভিন্ন স্থানে চলে যেতেন। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা প্রতিদিনের মতো তাকে বসতবাড়ির একটি কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখতেন।

মঙ্গলবার(২৫ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তার ছেলের স্ত্রী জেসমিন আক্তার সকালের খাবার দিতে গিয়ে দেখতে পান কক্ষটি ভেতর থেকে আটকানো রয়েছে। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দিলে তিনি ফাতেমা বেগমকে ঘরের বাইরের সঙ্গে মশারির নেটের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।

পরে তার চিৎকারে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে এবং বিষয়টি ডোমার থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা মরদেহ উদ্ধার করেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিষয়
জনপ্রিয় সংবাদ

ডোমারে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ডোমারে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত ০৫:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

নীলফামারীর ডোমারে নিজ শয়ন ঘর থেকে ফাতেমা বেগম (৫৫) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালের দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। ফাতেমা বেগম উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের জামির বাড়ি ছোট হুজুরপাড়া গ্রামের  মো. মকসিদুল ইসলামের স্ত্রী।

প্রতিবেশী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায় ফাতেমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। তিনি প্রায়ই বাড়ি থেকে বিভিন্ন স্থানে চলে যেতেন। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা প্রতিদিনের মতো তাকে বসতবাড়ির একটি কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখতেন।

মঙ্গলবার(২৫ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তার ছেলের স্ত্রী জেসমিন আক্তার সকালের খাবার দিতে গিয়ে দেখতে পান কক্ষটি ভেতর থেকে আটকানো রয়েছে। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দিলে তিনি ফাতেমা বেগমকে ঘরের বাইরের সঙ্গে মশারির নেটের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।

পরে তার চিৎকারে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে এবং বিষয়টি ডোমার থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা মরদেহ উদ্ধার করেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।