০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ডোমারে অবৈধভাবে নদীর বালু উত্তোলনের দায়ে দুই জনকে এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড

নীলফামারীর ডোমারে অবৈধভাবে নদীর বালু উত্তোলনের অভিযোগে দু’জনকে উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে।

এসময় মেজিস্ট্রেটের রায় শুনে ফারুক নামে এক অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে অসুস্থতার ভান করেন! কিছুক্ষণ পরে তিনি সুস্থ্য হয়ে উঠেন। বৃহষ্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের ধরধরার পাড় এলাকায় দেওনাই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে উল্লেখিত এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মো. ফারুক(৩০) এবং ডিমলা উপজেলার ট্রাক্টরচালক অমলকে(২৮) পঞ্চাশ হাজার টাকা করে মোট এক লক্ষ অর্থদন্ড প্রদান করেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শায়লা সাঈদ তন্বী।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী একটি চক্র দিনে এবং রাতের আঁধারে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে নদীর তীর ভেঙে পড়ছে এবং আশপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের নজরদারি থাকলেও অনেক সময় তা এড়িয়ে এই চক্র সক্রিয় থাকে। দ্রুত এসব অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক টাকা অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের এক মাসের কারাদন্ড ভোগ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে নিম্নমাণের সামগ্রী দিয়ে সড়ক নির্মাণ: সপ্তাহ না পেরোতেই উঠছে কার্পেটিং

ডোমারে অবৈধভাবে নদীর বালু উত্তোলনের দায়ে দুই জনকে এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড

প্রকাশিত ১২:১১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীর ডোমারে অবৈধভাবে নদীর বালু উত্তোলনের অভিযোগে দু’জনকে উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে।

এসময় মেজিস্ট্রেটের রায় শুনে ফারুক নামে এক অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে অসুস্থতার ভান করেন! কিছুক্ষণ পরে তিনি সুস্থ্য হয়ে উঠেন। বৃহষ্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের ধরধরার পাড় এলাকায় দেওনাই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে উল্লেখিত এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মো. ফারুক(৩০) এবং ডিমলা উপজেলার ট্রাক্টরচালক অমলকে(২৮) পঞ্চাশ হাজার টাকা করে মোট এক লক্ষ অর্থদন্ড প্রদান করেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শায়লা সাঈদ তন্বী।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী একটি চক্র দিনে এবং রাতের আঁধারে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে নদীর তীর ভেঙে পড়ছে এবং আশপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের নজরদারি থাকলেও অনেক সময় তা এড়িয়ে এই চক্র সক্রিয় থাকে। দ্রুত এসব অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক টাকা অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের এক মাসের কারাদন্ড ভোগ করতে হবে।