নীলফামারীর জলঢাকায় যাত্রী সেজে অটোভ্যান ছিনতাইয়ের সময় মমিনুর ইসলাম মহাবীর (১৫) নামে এক কিশোরকে হত্যা করেছে দুর্বত্তরা। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলার কাঁঠালী ইউনিয়নের মাঝাপাড়া এলাকার তিস্তা সেচ ক্যানেলের পূর্ব পার্শ্বস্থ হামিদুল মেম্বারের বাড়ির পাশের ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মমিনুর জলঢাকা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বগুলাগাড়ী ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে এবং বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অবসর সময়ে সে অটোভ্যান চালাত বলে জানা যায়।
পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মমিনুর ইসলাম মহাবীর পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময় অটোভ্যান চালাতো। শুক্রবার(২৭ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে অটোভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় মমিনুর। এরপর সে আর বাড়ি ফিরে আসিনে। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পরিবারের সদস্যগণ আত্মীয়-স্বজনসহ আশপাশ এলাকায় খোঁজাখুঁজিকে করেও কোনো সন্ধ্যান পায়নি। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশ আরও জানায়, ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক উৎসুক জনতার ভিড়ের কারণে প্রাথমিকভাবে আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, সকালে জমিতে কাজ করতে গিয়ে দূর থেকে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। কাছে গিয়ে নিশ্চিত হয়ে জলঢাকা থানায় খবর দেই। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে জলঢাকা থানায় নিয়ে যায়।
জলঢাকা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) নাজমুল আলম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অটোভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা মমিনুর ইসলামকে হত্যা করেছে। তদন্ত শুরু হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।



























