নীলফামারীর ডোমারে পানি নিষ্কাশনের নালা বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ করায় শতাধীক একর বোরো ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশের পর তৎপর হয়ে উঠে উপজেলা প্রশাসন। ঘটনাস্থলে পৌছে নালায় বাধঁ নির্মাণকারীর মুচলেকা নিয়ে দ্রুত বাধ সরানোর নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী।
সোমবার (০৪ মে) সকালে প্রশাসনের নির্দেশে বাধেঁর মাটি সরানো কাজ শুরু করা হয়।এর আগে গত রোববার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শায়লা সাঈদ তন্বী সরেজমিনে গিয়ে ফসলী জমির মাঠ পরিদর্শন ও কৃষকদের সাথে কথা বলে পানি নিষ্কাশিত নালাতে থাকা রাস্তাটি কেটে ফেলে শতাধীক একর জমির তলিয়ে যাওয়া বোরো ধান রক্ষা করার নির্দেশ দেন তিনি। আগামী ২৪ঘন্টার মধ্যে নালাটিতে থাকা সব মাটি সরানোর নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।এবং মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান অভিযুক্ত বুলুর লোকজন। বাধিয়ে দেওয়া সময়ের মধ্যে নালার বাধঁটি না সরালে অভিযুক্ত বুলুর বিরুদ্ধে নেওয়া হবে আইনি পদক্ষেপ।
জানাযায় উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের বাকডোকরা গ্রামের বুলু ইসলাম নামে এক ব্যক্তি অটো রাইস মিল ও ফিলিং ষ্টেশন দেওয়ার নাম করে ৪০বছর ধরে পানি নিষ্কাশিত নালাটি বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে করে কয়েকটি গ্রামের শতাধীক একর জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যায়। বুলু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রশাসনের ক্ষমতা দেখিয়ে কাউকে তোয়াক্কা না করে নালার উপর রাস্তা নির্মাণ করেন। সাধারণ মানুষ তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী ও হাত পা কেটে দেওয়ার মতো প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করেন। ভয়ে অনেকে তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন না।
এর আগে রোববার সকালে সোস্যাল মিডিয়ায় এসে বুলু অনেকের হাত পা কেটে দেওয়া প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করেন। ভাইরাল হওয়া আরেক ভিডিওতে দেখা যায় ভুক্তভোগী এক কৃষককে মেরে পুতে ফেলার হুমকি দেন তিনি। এতে করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন পানি নিষ্কাশিত নালা বন্ধ করে রাস্তাটি নির্মাণ করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে করে অনেক ফসলি জমির ধান ডুবে যায়। আগামী ২৪ঘন্টার মধ্যে পানি নিষ্কাশিত নালাটির মাটি সরানোর মুচলেকা দেন বুলুর লোকজন।নালার মাটি কেটে ফেলা হচ্ছে। নালা দিয়ে পানি প্রবাহিত হলে আর কোন জলাবদ্ধতা হবে না।
















