০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ডোমারে বিরোধপূর্ণ জমির কাজ কাটা দ্বন্দ্বের মারামারিতে একজন নিহত

নীলফামারীর ডোমারের বিরোধপূর্ণ জমিতে শুকনা গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মজনু(৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। নিহত মজনু ডোমার পৌর শহরের ৫নং ওয়ার্ড ময়দান পাড়া এলাকার মৃত তফির উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায় বুধবার(১১ মার্চ) সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে শুকনো একটি গাছ বাবলু,মজনু ও নুরুল হক কালুসহ তিন ভাই কাটতে গেলে প্রতিপক্ষ বেলাল হোসেনসহ তার পরিবারের লোকজন গাছ কাটতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়। পরিবারের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ডোমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার আসমা বলেন, হাসপাতালে আসার আগে মজনু নামে একজনের মৃত হয়েছে ।এবং আহত দুইজনকে রংপুরে রেফার্ড করা হয়েছে।

নিহত মজনুর ভাজতি মিম বলেন, আমরা থানায় ও ট্রিপল নাইনে ফোন দিলেও পুলিশ একঘন্টা পর ঘটনাস্থলে আসে। তারা যদি ফোন পাওয়ার পর পরেই আসতো তাহলে হয়তো কেউ মারা যেতনা।

ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল্লাহ হাবিব একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৈয়দপুরে আড়াই বছরের সম্পর্ক অস্বীকার, বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে মেয়ের অবস্থান

ডোমারে বিরোধপূর্ণ জমির কাজ কাটা দ্বন্দ্বের মারামারিতে একজন নিহত

প্রকাশিত ০৮:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

নীলফামারীর ডোমারের বিরোধপূর্ণ জমিতে শুকনা গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মজনু(৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। নিহত মজনু ডোমার পৌর শহরের ৫নং ওয়ার্ড ময়দান পাড়া এলাকার মৃত তফির উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায় বুধবার(১১ মার্চ) সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে শুকনো একটি গাছ বাবলু,মজনু ও নুরুল হক কালুসহ তিন ভাই কাটতে গেলে প্রতিপক্ষ বেলাল হোসেনসহ তার পরিবারের লোকজন গাছ কাটতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়। পরিবারের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ডোমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার আসমা বলেন, হাসপাতালে আসার আগে মজনু নামে একজনের মৃত হয়েছে ।এবং আহত দুইজনকে রংপুরে রেফার্ড করা হয়েছে।

নিহত মজনুর ভাজতি মিম বলেন, আমরা থানায় ও ট্রিপল নাইনে ফোন দিলেও পুলিশ একঘন্টা পর ঘটনাস্থলে আসে। তারা যদি ফোন পাওয়ার পর পরেই আসতো তাহলে হয়তো কেউ মারা যেতনা।

ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল্লাহ হাবিব একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।