০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

দারোয়ানী স্টেশন চালুর দাবিতে রেলপথ অবরোধ

নীলফামারীর বন্ধ থাকা ঐতিহ্যবাহী দারোয়ানী রেলস্টেশন চালু ও আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া অবরোধ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশ্বাসে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রত্যাহার করা হয়।

অবরোধের কারণে সৈয়দপুর-চিলাহাটি রেলপথে রূপসা ও সীমান্ত এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারেনি। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর এ পথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দারোয়ানী একটি ঐতিহ্যবাহী ও ব্যবসাবাণিজ্যনির্ভর এলাকা। একসময় এ স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি ছিল। ব্যবসায়ীরা এখান থেকে বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করতেন। বর্তমানে মাত্র একটি লোকাল ট্রেন থামায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জামিয়ার রহমান বলেন, স্টেশনটি অনেক পুরোনো। এখানে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু করা হলে এলাকার মানুষ সহজে ট্রেনে ওঠানামা করতে পারবেন। একই সঙ্গে বন্ধ স্টেশনটি দ্রুত চালুর দাবি জানান তিনি।
নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুব উর রহমান বলেন, দারোয়ানী স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে। উত্তরা ইপিজেডের পাশাপাশি এলাকায় বিজিবি ক্যাম্প রয়েছে। এ ছাড়া চীন সরকারের উদ্যোগে এক হাজার শয্যার হাসপাতাল স্থাপনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এসব বিবেচনায় স্টেশনটি চালু করা প্রয়োজন।
জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহায়েল পারভেজ বলেন, স্টেশনটি চালু হলে এলাকার অর্থনীতি ও যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির বিষয়ে তারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ূন কবির বলেন, ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ে কথা বলেছি। স্থানীয়দের দাবী লিখিতভাবে পাওয়া গেলে সেটি পাঠানো হবে এবং তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে মন্ত্রণালয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে সিঁদুর খেলায় সমাপ্ত দুর্গোৎসব

দারোয়ানী স্টেশন চালুর দাবিতে রেলপথ অবরোধ

প্রকাশিত ০৭:১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

নীলফামারীর বন্ধ থাকা ঐতিহ্যবাহী দারোয়ানী রেলস্টেশন চালু ও আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া অবরোধ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশ্বাসে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রত্যাহার করা হয়।

অবরোধের কারণে সৈয়দপুর-চিলাহাটি রেলপথে রূপসা ও সীমান্ত এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারেনি। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর এ পথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দারোয়ানী একটি ঐতিহ্যবাহী ও ব্যবসাবাণিজ্যনির্ভর এলাকা। একসময় এ স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি ছিল। ব্যবসায়ীরা এখান থেকে বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করতেন। বর্তমানে মাত্র একটি লোকাল ট্রেন থামায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জামিয়ার রহমান বলেন, স্টেশনটি অনেক পুরোনো। এখানে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু করা হলে এলাকার মানুষ সহজে ট্রেনে ওঠানামা করতে পারবেন। একই সঙ্গে বন্ধ স্টেশনটি দ্রুত চালুর দাবি জানান তিনি।
নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুব উর রহমান বলেন, দারোয়ানী স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে। উত্তরা ইপিজেডের পাশাপাশি এলাকায় বিজিবি ক্যাম্প রয়েছে। এ ছাড়া চীন সরকারের উদ্যোগে এক হাজার শয্যার হাসপাতাল স্থাপনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এসব বিবেচনায় স্টেশনটি চালু করা প্রয়োজন।
জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহায়েল পারভেজ বলেন, স্টেশনটি চালু হলে এলাকার অর্থনীতি ও যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির বিষয়ে তারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ূন কবির বলেন, ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ে কথা বলেছি। স্থানীয়দের দাবী লিখিতভাবে পাওয়া গেলে সেটি পাঠানো হবে এবং তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে মন্ত্রণালয়।