নীলফামারী শহরের প্রগতি পাড়া নিবাসি (আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন) জামিল আহমেদ সিদ্দিকী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল শুক্রবার ২ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫.৫৫ মিনিটে ঢাকায় ইসলামী ব্যাংক কার্ডিলজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
গতকাল রাত ১০ টায় মিরপুর পল্লবী মসজিদে আমান কবরস্থানে তাঁর জানাজার নামাজ ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী ছিলেন।
নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকীর বড় ভাই। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
নীলফামারী বার্তা পরিবার তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি ১৯৮৪ সাল থেকে নীলফামারী বার্তা পত্রিকার নিজস্ব আলোকচিত্র প্রতিনিধি ছিলেন। নিজের “চিত্রবিতান” রেখে তিনি সংবাদ চিত্রায়নের জন্য গোটা জেলা ঘুরে বেড়িয়েছেন।
নীলফামারী বার্তার তৎকালিন সম্পাদক ও প্রকাশক মরহুম ফজলুর রহমানের সঙ্গে তিনি সব সময় ছায়া সঙ্গী ছিলেন। সদাহাস্য এবং সরল স্বভাব নীলফামারী জেলার অধিকাংশ মানুষের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন। নব্বই দশকের কিছু আগে তিনি স্থায়িভাবে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন।
তিনি নীলফামারী সাংবাদিক জগতে একমাত্র পেশা এবং নেশা নিয়ে ক্যামেরা কাঁধে নিয়েছিলেন।তার মৃত্যু নীলফামারী বার্তা কে আজ মনে করিয়ে দেয়, সাংবাদিক জীবন এবং কতো স্বচ্ছ রেখে সংবাদ চিত্র সংবাদ হয়ে ওঠে। জামিল সিদ্দিকী তারই একটা উদাহরণ।














