০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

নীলফামারীতে বৈরী আবহাওয়ায় ভুট্টা ও ধানের বাজারে ধস

নীলফামারীতে টানা বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার কারণে কৃষিপণ্যের বাজারে ধস নেমেছে। পর্যাপ্ত রোদের অভাবে ভুট্টা শুকাতে না পারায় স্থানীয় মহাজন ও পাইকাররা কেনায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এর ফলে ভুট্টার পাশাপাশি বোরো ধানের দামও অনেকটা কমে গেছে।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভরা মৌসুমেও নীলফামারীতে ভুট্টার ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে তোলা ভুট্টা মাড়াই করে বাজারে নিলেও ক্রেতারা তা কিনতে সাহস পাচ্ছেন না। দিনের বেলা সূর্যের আলো না থাকায় ভুট্টা শুকাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। জলঢাকা উপজেলার বগলাবাড়ী এলাকার কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, মৌসুমের শুরুতে ভুট্টার মণ ৯৫০ টাকা থাকলেও এখন ৭০০ টাকা দরেও কেউ কিনছে না।

এদিকে বোরো ধানের বাজারেও একই অবস্থা। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ ধান (২৮ কেজি হিসেবে) ৫০০ থেকে ৫২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, অথচ সরকারের নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮ টাকা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার কামারপাড়ার কৃষক রমজান আলী জানান, প্রতি মণ ধানের উৎপাদন খরচ হয়েছে প্রায় ৭০০ টাকা। সংসারের খরচ মেটাতে বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় ৩১ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুর রহমান জানান, পর্যাপ্ত সূর্যের আলো না পাওয়ায় ভুট্টার সঠিক আর্দ্রতা আসছে না। এ কারণেই ক্রেতারা কেনায় ধীরগতি দেখাচ্ছেন। আবহাওয়ার উন্নতি হলে ধান ও ভুট্টার বাজার মূল্য আবার বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে শুরু হলো ‘ভূমি সেবা সপ্তাহ ও ভূমি মেল‘

নীলফামারীতে বৈরী আবহাওয়ায় ভুট্টা ও ধানের বাজারে ধস

প্রকাশিত ০৬:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

নীলফামারীতে টানা বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার কারণে কৃষিপণ্যের বাজারে ধস নেমেছে। পর্যাপ্ত রোদের অভাবে ভুট্টা শুকাতে না পারায় স্থানীয় মহাজন ও পাইকাররা কেনায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এর ফলে ভুট্টার পাশাপাশি বোরো ধানের দামও অনেকটা কমে গেছে।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভরা মৌসুমেও নীলফামারীতে ভুট্টার ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে তোলা ভুট্টা মাড়াই করে বাজারে নিলেও ক্রেতারা তা কিনতে সাহস পাচ্ছেন না। দিনের বেলা সূর্যের আলো না থাকায় ভুট্টা শুকাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। জলঢাকা উপজেলার বগলাবাড়ী এলাকার কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, মৌসুমের শুরুতে ভুট্টার মণ ৯৫০ টাকা থাকলেও এখন ৭০০ টাকা দরেও কেউ কিনছে না।

এদিকে বোরো ধানের বাজারেও একই অবস্থা। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ ধান (২৮ কেজি হিসেবে) ৫০০ থেকে ৫২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, অথচ সরকারের নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮ টাকা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার কামারপাড়ার কৃষক রমজান আলী জানান, প্রতি মণ ধানের উৎপাদন খরচ হয়েছে প্রায় ৭০০ টাকা। সংসারের খরচ মেটাতে বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় ৩১ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুর রহমান জানান, পর্যাপ্ত সূর্যের আলো না পাওয়ায় ভুট্টার সঠিক আর্দ্রতা আসছে না। এ কারণেই ক্রেতারা কেনায় ধীরগতি দেখাচ্ছেন। আবহাওয়ার উন্নতি হলে ধান ও ভুট্টার বাজার মূল্য আবার বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।