নীলফামারীর ডোমারে ঘন ঘন দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং ও দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেওয়ার পর বিদ্যুৎ স্থাপনা ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডোমার জোনাল অফিস ও ডোমার নেসকো বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন কেন্দ্র।
বুধবার(১২ আগষ্ট) দুপুরে নিরাপত্তার আবেদন করেন ডোমার নেসকো বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্রে’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নওশাদ আলী। এর আগে গত রবিবার বিদ্যুৎ স্থাপনা ও কর্মীদের নিরাপত্তা বাড়ানো এবং রাতে নিয়মিত পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করতে থানায় লিখিত আবেদন করেন নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির’র ডোমার জোনাল অফিস। নিরাপত্তা চেয়ে আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডোমার থানা ওসি মো. হাবিবুল্লাহ।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায়, গত রোববার ডোমার জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এ.কে.এম. আলাউদ্দিনের স্বাক্ষরে থানায় আবেদনটি পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ঘাটতি থাকায় বরাদ্দ অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে গরমের মধ্যে সাধারন মানুষের ভোগান্তি যেমন বাড়ছে,তেমনি তৈরী হচ্ছে অসন্তোষ। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ন স্থাপনাগুলোতে অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্খা করছে কতৃপক্ষ। তাই এসব স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নেসকো প্রকৌশলী মো. নওশাদ আলী জানান,ডোমারে বিদ্যুতের ৩ হাজার ৫ শত গ্রাহকের বিদ্যুৎ চাহিদা রয়েছে ১০.৪ মেঘাওয়াট কিন্তু তার বিপরীতে সরবরাহ পাই ৫.৪ মেঘাওয়াট।
ডোমার পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এ.কে.এম. আলাউদ্দিন জানান,দুটি উপকেন্দ্রে গ্রাহক সংখ্যা ৪২ হাজার ৯শত ৭০জন। পিক আওয়ারে চাহিদা ১৩ মেঘাওয়াট তার বিপরীতে যোগান ৭/৮ মেঘাওয়াট।তাতে লোডশেডিং ৫/৬ মেঘাওয়াট।
ডোমার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন,নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অফিসে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের নিয়মিত টহলও অব্যাহত রয়েছে।


























