১০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

সৈয়দপুরে লাইসেন্স ছাড়াই চিপস তৈরি তিন ফ্যাক্টরীর ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায়

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে পর পর দুই দিন চিপস্ ফ্যাক্টরী গুলোতে অভিযান চালানো হয়েছে। এতে লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অনিয়মের দায়ে ৩ টি প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে শহরের বাঁশবাড়ী ও সাহেবপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবি নীলফামারী সিপিসি-২ কর্তৃপক্ষ। এতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকলিমা।

প্রথমে বাঁশবাড়ী শেরেবাংলা স্কুল এলাকায় শহীদ মাহতাব বেগ সড়কে অভিযানে গোল্ডেন চিপস ফ্যাক্টরীতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়াই খাদ্যপণ্য উৎপাদন, অননুমোদিত রং ও শিল্প লবণের ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিপস তৈরি ও শুকানোর মতো গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এর প্রেক্ষিতে ফ্যাক্টরীর মালিক নওসাদ গোল্ডেনের ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর সাহেবপাড়া হানিফ মোড় এলাকার খান ফুডস্ ফ্যাক্টরীতে একই অপরাধে মালিক আকরাম খাঁনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও ওই এলাকার রাশেদ করিম নামে আরেকজনের ১ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

প্রায় ৩ ঘন্টা ব্যাপী এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআরবি নীলফামারী সিপিসি-২ এর কমান্ডার এএসপি আবু বকর রোহানী রনি। তাকে সহযোগিতা করেন এসআরবি সদস্যরাসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মঙ্গলবারও (২৭ অক্টোবর) অভিযান চালায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। এদিন শহরের গোলাহাট ওয়াপদা মোড় এলাকার আলমগীর চিপস্ ফ্যাক্টরীতেও একই ধরনের অনিয়ম পাওয়া যায়। ফলে ফ্যাক্টরীর মালিক আলমগীর সরকারের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানকালে কারখানায় ব্যবহৃত নিষিদ্ধ রং ও শিল্প লবন ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে কারখানার সব ধরনের অসংগতি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য উৎপাদন বন্ধ এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শিহাব উদ্দীন ও কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি মো. আল আমিন। অভিযানে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করে সৈয়দপুর থানা পুলিশের একটি দল।

বিষয়
জনপ্রিয় সংবাদ

২৮ অক্টোবর লগি বৈঠার পৈশাচিকতার বিচার দাবিতে সৈয়দপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সৈয়দপুরে লাইসেন্স ছাড়াই চিপস তৈরি তিন ফ্যাক্টরীর ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায়

প্রকাশিত ০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে পর পর দুই দিন চিপস্ ফ্যাক্টরী গুলোতে অভিযান চালানো হয়েছে। এতে লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অনিয়মের দায়ে ৩ টি প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে শহরের বাঁশবাড়ী ও সাহেবপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবি নীলফামারী সিপিসি-২ কর্তৃপক্ষ। এতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকলিমা।

প্রথমে বাঁশবাড়ী শেরেবাংলা স্কুল এলাকায় শহীদ মাহতাব বেগ সড়কে অভিযানে গোল্ডেন চিপস ফ্যাক্টরীতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়াই খাদ্যপণ্য উৎপাদন, অননুমোদিত রং ও শিল্প লবণের ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিপস তৈরি ও শুকানোর মতো গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এর প্রেক্ষিতে ফ্যাক্টরীর মালিক নওসাদ গোল্ডেনের ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর সাহেবপাড়া হানিফ মোড় এলাকার খান ফুডস্ ফ্যাক্টরীতে একই অপরাধে মালিক আকরাম খাঁনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও ওই এলাকার রাশেদ করিম নামে আরেকজনের ১ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

প্রায় ৩ ঘন্টা ব্যাপী এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআরবি নীলফামারী সিপিসি-২ এর কমান্ডার এএসপি আবু বকর রোহানী রনি। তাকে সহযোগিতা করেন এসআরবি সদস্যরাসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মঙ্গলবারও (২৭ অক্টোবর) অভিযান চালায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। এদিন শহরের গোলাহাট ওয়াপদা মোড় এলাকার আলমগীর চিপস্ ফ্যাক্টরীতেও একই ধরনের অনিয়ম পাওয়া যায়। ফলে ফ্যাক্টরীর মালিক আলমগীর সরকারের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানকালে কারখানায় ব্যবহৃত নিষিদ্ধ রং ও শিল্প লবন ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে কারখানার সব ধরনের অসংগতি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য উৎপাদন বন্ধ এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শিহাব উদ্দীন ও কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি মো. আল আমিন। অভিযানে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করে সৈয়দপুর থানা পুলিশের একটি দল।