০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী জনসভায় তিস্তা পাড়ে যাচ্ছেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের হ্যাঁ পক্ষে প্রচারণা হিসেবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারী উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারী ও লালমনিরহাটের সংযোগ স্থল তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। সেদিন দুপুরে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

আজ রবিবার সকালে (২ ফেব্রুয়ারি) নীলফামারী জেলা জামায়াত আমীর ও নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের প্রার্থী মাওলানা অধ্যক্ষ আব্দুর সাত্তার সহ নেতাকর্মীরা পাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমীরের আগমন ঘিরে জনসভাকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি মঞ্চ তৈরীর কাজ চলছে।

মাওলানা আব্দুর সাত্তার বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দুই জেলার নীলফামারী ১ ও ৩ এবং লালমনিরহাট ১,২ ও ৩ আসনের ৫ জন দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থীদের পক্ষে তিস্তা নদী পাড়ে জনসভায় যোগ দিতে আগামী বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারি তিস্তা ব্যারেজের হেলিপ্যাড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিবেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি হেলিকপ্টার যোগে সকাল ১২ টায় পৌঁছাবেন এবং ১২ টা ৩০ মিনিটে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এসভায় দুই জেলার তিস্তাপাড় সহ প্রায় লক্ষাধিক নেতাকর্মী সহ এলাকাবাসীর সমাগম হবে।

আব্দুস সাত্তার আরও বলেন, তিস্তা নদী উত্তরের জীবন রেখা। প্রতি বছর বন্যা ও ভাঙ্গনে  বসত ভিটা হারিয়ে  হাজার মানুষ পথে বসেন। কয়েক বছর ধরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার কথা থাকলে সেটি হচ্ছে না। তবে জামায়াত ক্ষমতায় আসলে  এটি বাস্তবায়ন করার ঘোষণা আসবে এই তিস্তা পাড়ের জনসভায়।

এ সময় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের জামায়াতের আমীর সেদিন লালমনিরহাটের তিনজন ও নীলফামারী চারজন প্রার্থীর হাতে দাঁড়িপাল্লা তুলে দিবেন। তিনি প্রার্থীদের সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিবেন। এছাড়াও দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি সবকিছু নিয়ে কথা বলবেন তিনি। কর্মসংস্থান মানুষের জীবন জীবিকা সবকিছু নিয়ে আলোচনা করবেন। এ জনসভা হবে আগামীর সবার উন্নয়ন নির্ধারণ করার জনসভা। সেখানে ১১ জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারী সদর আসনে বিজয়ী জামায়াতের প্রার্থী

নির্বাচনী জনসভায় তিস্তা পাড়ে যাচ্ছেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান

প্রকাশিত ০২:০৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের হ্যাঁ পক্ষে প্রচারণা হিসেবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারী উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারী ও লালমনিরহাটের সংযোগ স্থল তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। সেদিন দুপুরে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

আজ রবিবার সকালে (২ ফেব্রুয়ারি) নীলফামারী জেলা জামায়াত আমীর ও নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের প্রার্থী মাওলানা অধ্যক্ষ আব্দুর সাত্তার সহ নেতাকর্মীরা পাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমীরের আগমন ঘিরে জনসভাকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি মঞ্চ তৈরীর কাজ চলছে।

মাওলানা আব্দুর সাত্তার বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দুই জেলার নীলফামারী ১ ও ৩ এবং লালমনিরহাট ১,২ ও ৩ আসনের ৫ জন দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থীদের পক্ষে তিস্তা নদী পাড়ে জনসভায় যোগ দিতে আগামী বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারি তিস্তা ব্যারেজের হেলিপ্যাড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিবেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি হেলিকপ্টার যোগে সকাল ১২ টায় পৌঁছাবেন এবং ১২ টা ৩০ মিনিটে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এসভায় দুই জেলার তিস্তাপাড় সহ প্রায় লক্ষাধিক নেতাকর্মী সহ এলাকাবাসীর সমাগম হবে।

আব্দুস সাত্তার আরও বলেন, তিস্তা নদী উত্তরের জীবন রেখা। প্রতি বছর বন্যা ও ভাঙ্গনে  বসত ভিটা হারিয়ে  হাজার মানুষ পথে বসেন। কয়েক বছর ধরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার কথা থাকলে সেটি হচ্ছে না। তবে জামায়াত ক্ষমতায় আসলে  এটি বাস্তবায়ন করার ঘোষণা আসবে এই তিস্তা পাড়ের জনসভায়।

এ সময় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের জামায়াতের আমীর সেদিন লালমনিরহাটের তিনজন ও নীলফামারী চারজন প্রার্থীর হাতে দাঁড়িপাল্লা তুলে দিবেন। তিনি প্রার্থীদের সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিবেন। এছাড়াও দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি সবকিছু নিয়ে কথা বলবেন তিনি। কর্মসংস্থান মানুষের জীবন জীবিকা সবকিছু নিয়ে আলোচনা করবেন। এ জনসভা হবে আগামীর সবার উন্নয়ন নির্ধারণ করার জনসভা। সেখানে ১১ জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।