০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ডায়াবেটিস ধান চাষ করে সাড়া ফেলেছেন কৃষক ফজলুর রহমান

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের কৃষক ফজলুর রহমান ব্রি-১০৫ বা ‘ডায়াবেটিস ধান’ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

বোরো মৌসুমে চাষের উপযোগী এই ধানের চালে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ তুলনামূলক কম হওয়ায় এটিকে ‘ডায়াবেটিক ধান’ বলা হচ্ছে। পিকেএসএফ এর অর্থায়নে এবং বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির তত্ত্বাবধানে শার্প সংস্থার সহযোগিতায় কৃষক ফজলুর রহমান এ ধান চাষ করেন।

সেলফ-হেল্প এন্ড রিহেবিলিটেশন প্রোগ্রাম (শার্প) কৃষকদের বীজ সংরক্ষণ ও কৃষকরা যাতে বাজারজাত করতে পারে সেজন্য প্রশিক্ষণ, উপকরণসহ সহযোগিতা দিয়ে আসছে।

ব্রি ধান ১০৫ বেশ আগ্রহ তৈরি করেছে, কারণ এটিতে পুষ্টিমান যেমন আছে তেমনি এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) অনেক কম। কৃষক ফজলুর রহমান জানান- এই ধান উচ্চ ফলনশীল এবং সাধারণ ধানের মতোই চাষ করা যায়।

এলাকাবাসী জানান – এই ধান অন্যান্য ধানের মতোই দেখতে, ফলন ভালো হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ধীমান ভূষণ বলেন- সাধারণত খাদ্যে জিআই ৫৫ বা এর নিচে থাকলে সেটিকে কম জিআই সম্পন্ন খাদ্য বলা হয়। ব্রি ইন্সটিটিউটের গবেষণায় ব্রি ধান ১০৫-এ জিআই এই মাত্রার নিচে পাওয়া গেছে। তাই এটি নিঃসন্দেহে ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য একটি উপযোগী খাবার। তবে এই ধানের ভাত সাধারণ মানুষও খেতে পারবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৈয়দপুরে জাপার এমপি প্রার্থীর নির্মাণাধীন ভবন থেকে কাঠ পড়ে মাথা ফাটলো শিশুর, আহত আরও ২ নারী

ডায়াবেটিস ধান চাষ করে সাড়া ফেলেছেন কৃষক ফজলুর রহমান

প্রকাশিত ০২:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের কৃষক ফজলুর রহমান ব্রি-১০৫ বা ‘ডায়াবেটিস ধান’ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

বোরো মৌসুমে চাষের উপযোগী এই ধানের চালে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ তুলনামূলক কম হওয়ায় এটিকে ‘ডায়াবেটিক ধান’ বলা হচ্ছে। পিকেএসএফ এর অর্থায়নে এবং বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির তত্ত্বাবধানে শার্প সংস্থার সহযোগিতায় কৃষক ফজলুর রহমান এ ধান চাষ করেন।

সেলফ-হেল্প এন্ড রিহেবিলিটেশন প্রোগ্রাম (শার্প) কৃষকদের বীজ সংরক্ষণ ও কৃষকরা যাতে বাজারজাত করতে পারে সেজন্য প্রশিক্ষণ, উপকরণসহ সহযোগিতা দিয়ে আসছে।

ব্রি ধান ১০৫ বেশ আগ্রহ তৈরি করেছে, কারণ এটিতে পুষ্টিমান যেমন আছে তেমনি এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) অনেক কম। কৃষক ফজলুর রহমান জানান- এই ধান উচ্চ ফলনশীল এবং সাধারণ ধানের মতোই চাষ করা যায়।

এলাকাবাসী জানান – এই ধান অন্যান্য ধানের মতোই দেখতে, ফলন ভালো হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ধীমান ভূষণ বলেন- সাধারণত খাদ্যে জিআই ৫৫ বা এর নিচে থাকলে সেটিকে কম জিআই সম্পন্ন খাদ্য বলা হয়। ব্রি ইন্সটিটিউটের গবেষণায় ব্রি ধান ১০৫-এ জিআই এই মাত্রার নিচে পাওয়া গেছে। তাই এটি নিঃসন্দেহে ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য একটি উপযোগী খাবার। তবে এই ধানের ভাত সাধারণ মানুষও খেতে পারবেন।