নীলফামারীতে নিজের ১১ বছর বয়সী কন্যা সন্তানকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুল কুদ্দুস (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার(১৭ মে) দুপুরে সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আব্দুল কুদ্দুস একই এলাকার মৃত কলিম উদ্দিনের ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুসের দ্বিতীয় স্ত্রী তাসলিমা বেগম তার দুই কন্যাসন্তানকে বাড়িতে রেখে অন্য একজনের সাথে পালিয়ে যান।
গত শুক্রবার (১৫ মে) বাবা আব্দুল কুদ্দুস তার ১১ বছর বয়সী বড় মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। নির্যাতনের শিকার ওই শিশুটি পরবর্তীতে বিষয়টি তার প্রতিবেশী এক ভাবি ও চাচিকে জানায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুসকে আটকে করে গাছের সাথে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে নীলফামারী সদর থানা-পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত কুদ্দুসকে থানায় নিয়ে আসে এবং ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী শিশুর নানী নুরবানু বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও জানান, অভিযুক্ত কুদ্দুসকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে এবং যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

















