১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

নীলফামারীতে পুলিশের অভিযানে ৩২ টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

নীলফামারীর জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ হেফাজতে থাকা আন্তঃজেলা কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর শাহিনকে(৪৫) জিজ্ঞাসাবাদ ও তার দেয়া তথ্য ও সনাক্ত মতে রবিবার(১৭ মে) বেলা ৩টায় এ সকল মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

এসময় জলঢাকার উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেঙ্গনমারী পশ্চিম খুটামারা মোমিনটারী গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের মোঃ আব্বাস আলীকে(৪০) আটক করা হয়।

ওই চোরাই মোটরসাইকেলগুলো আব্বাস আলীর টেঙ্গনমারী বাজারের মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনের গোডাউনে ছিল বলে পুলিশ জানায়।

জলঢাকা থানা পুলিশ জানায়, আন্তঃজেলা কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর শাহিন ও ফরিদুল সহ কয়েকজন চোর চক্র বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে আব্বাস আলীর কাছে বিক্রি করতেন। পরে আব্বাস আলী সেই মোটরসাইকেলের রং পরিবর্তন ও পার্টস খুলে বিভিন্নজনের কাছে বিক্রি করতেন।

এদিকে জলঢাকা থানা পুলিশ শনিবার রাতে শাহিনকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরিকৃত মোটরসাইকেলগুলো আব্বাস আলীর গ্যারেজে আছে বলে জানায় শাহিন। সেই সূত্রে রবিবার বিকাল ৩টার দিকে পুলিশ টেঙ্গনমারী বাজারের ওই গ্যারেজে অভিযান চালায়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্যারেজের পেছনের গোডাউনে চোরাই ৩২টি মোটরসাইকেল গুলো রাখা হয়েছিল। আটকের পর উক্ত গ্যারেজ ও গোডাউনের মালিক আব্বাস আলী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর শাহীন ও ফরিদুল সহ বেশ কিছু চোরের কাছ থেকে এ সমস্ত মটরসাইকেল তিনি ক্রয় করেছেন। এছাড়াও তার পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসা রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জলঢাকা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, আটক ব্যক্তি  বেশিরভাগ মোটরসাইকেলে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার দোকান থেকে মালিকানা সংক্রান্তের কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূলহোতা শাহিন জলঢাকা উপজেলার খালিশা খুটামারা এলাকার মমিনুর রহমানের ছেলে। তাকে আগের দিন(শনিবার) রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ১১টি চুরির মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে।

ওসি বলেন, তার দেয়া তথ্যে এই ৩২টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলগুলোর বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। নীলফামারী জেলার ৬ উপজেলা, রংপুর, দিনাজপুর সহ আশ পাশের এলাকার যাদের মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে তারা বৈধ কাগজ সহ জলঢাকা থানায় যোগাযোগ করতে পারেন। প্রমাণ মিললে প্রকৃত মালিকের কাছে মোটরসাইকেল হস্তান্তর করা হবে।

বিষয়
জনপ্রিয় সংবাদ

১৯ মে থেকে নীলফামারীতে শুরু হচ্ছে ভূমি সেবা সপ্তাহ ও মেলা

নীলফামারীতে পুলিশের অভিযানে ৩২ টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

প্রকাশিত ১১:৫৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ হেফাজতে থাকা আন্তঃজেলা কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর শাহিনকে(৪৫) জিজ্ঞাসাবাদ ও তার দেয়া তথ্য ও সনাক্ত মতে রবিবার(১৭ মে) বেলা ৩টায় এ সকল মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

এসময় জলঢাকার উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেঙ্গনমারী পশ্চিম খুটামারা মোমিনটারী গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের মোঃ আব্বাস আলীকে(৪০) আটক করা হয়।

ওই চোরাই মোটরসাইকেলগুলো আব্বাস আলীর টেঙ্গনমারী বাজারের মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনের গোডাউনে ছিল বলে পুলিশ জানায়।

জলঢাকা থানা পুলিশ জানায়, আন্তঃজেলা কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর শাহিন ও ফরিদুল সহ কয়েকজন চোর চক্র বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে আব্বাস আলীর কাছে বিক্রি করতেন। পরে আব্বাস আলী সেই মোটরসাইকেলের রং পরিবর্তন ও পার্টস খুলে বিভিন্নজনের কাছে বিক্রি করতেন।

এদিকে জলঢাকা থানা পুলিশ শনিবার রাতে শাহিনকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরিকৃত মোটরসাইকেলগুলো আব্বাস আলীর গ্যারেজে আছে বলে জানায় শাহিন। সেই সূত্রে রবিবার বিকাল ৩টার দিকে পুলিশ টেঙ্গনমারী বাজারের ওই গ্যারেজে অভিযান চালায়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্যারেজের পেছনের গোডাউনে চোরাই ৩২টি মোটরসাইকেল গুলো রাখা হয়েছিল। আটকের পর উক্ত গ্যারেজ ও গোডাউনের মালিক আব্বাস আলী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর শাহীন ও ফরিদুল সহ বেশ কিছু চোরের কাছ থেকে এ সমস্ত মটরসাইকেল তিনি ক্রয় করেছেন। এছাড়াও তার পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসা রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জলঢাকা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, আটক ব্যক্তি  বেশিরভাগ মোটরসাইকেলে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার দোকান থেকে মালিকানা সংক্রান্তের কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূলহোতা শাহিন জলঢাকা উপজেলার খালিশা খুটামারা এলাকার মমিনুর রহমানের ছেলে। তাকে আগের দিন(শনিবার) রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ১১টি চুরির মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে।

ওসি বলেন, তার দেয়া তথ্যে এই ৩২টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলগুলোর বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। নীলফামারী জেলার ৬ উপজেলা, রংপুর, দিনাজপুর সহ আশ পাশের এলাকার যাদের মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে তারা বৈধ কাগজ সহ জলঢাকা থানায় যোগাযোগ করতে পারেন। প্রমাণ মিললে প্রকৃত মালিকের কাছে মোটরসাইকেল হস্তান্তর করা হবে।