০৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নীলফামারীতে উচ্চ ফলনশীল পাই-১০০১ ধান বীজের ডিলার সম্মেলন

নীলফামারী, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : জেলায় উচ্চ ফলনশীল পাই-১০০১ ধান বীজের ডিলার সম্মেলন অণুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শহরের একটি কমিউনিটি সেণ্টারে ওই সম্মেলনের আয়োজন করে পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজ।

সম্মেলনে রংপুর উত্তরাঞ্চলের রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার শতাধিক ধান বীজ ডিলার অংশগ্রহন করেন। বিপণনে ভালো অবদান রাখায় ১০ ডিলারকে সন্মাননা প্রদান করা হয় এসময়।

সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে বক্তৃতা দেন পরিচালক (অর্থ) মো. হাসিবুল ইসলাম, বিপণন বিভাগের প্রধান মো. শহীদুল ইসলাম, সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের ডিলার মো. আলমগীর হোসেন, গোড়গ্রাম ইউনিয়নের এনামুলক হক, পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের আব্দুর রহিম প্রমুখ।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মেহেদী হাসান জানান, উচ্চ ফলনশীল পাই-১০০১ ধান বীজ প্রতিষ্ঠানটির একটি নিজস্ব ব্রাণ্ড। ২০১৯ সালে মাত্র ১৩ কেজি বীজ দিয়ে যাত্রা শুরু হয়। ২০২৬ সালে বাজারে বীজের পরিমান দাড়িয়েছে ৭০ মেট্রিকটনে।

তিনি বলেন, ‘পাই-১০০১’ ধান বীজের ভালো ফলন হয়, রোগ বালাই তেমন নেই এবং এই জাতের ধানের ভাত খেতেও সুস্বাদু। বিঘা প্রতি ফলন ৩৫ মণের উপরে ছাড়িয়েছে। মাত্র কয়েক বছরে কৃষকদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি আমরা। প্রতি বছরই এই ধানবীজের চাহিদা বাড়ছে। আসছে বোরো মৌসুমে ৭০ মেট্রিকটন ধান বীজ বাজারে বিপণন হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে উচ্চ ফলনশীল পাই-১০০১ ধান বীজের ডিলার সম্মেলন

প্রকাশিত ০৬:৩৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নীলফামারী, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : জেলায় উচ্চ ফলনশীল পাই-১০০১ ধান বীজের ডিলার সম্মেলন অণুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শহরের একটি কমিউনিটি সেণ্টারে ওই সম্মেলনের আয়োজন করে পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজ।

সম্মেলনে রংপুর উত্তরাঞ্চলের রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার শতাধিক ধান বীজ ডিলার অংশগ্রহন করেন। বিপণনে ভালো অবদান রাখায় ১০ ডিলারকে সন্মাননা প্রদান করা হয় এসময়।

সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে বক্তৃতা দেন পরিচালক (অর্থ) মো. হাসিবুল ইসলাম, বিপণন বিভাগের প্রধান মো. শহীদুল ইসলাম, সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের ডিলার মো. আলমগীর হোসেন, গোড়গ্রাম ইউনিয়নের এনামুলক হক, পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের আব্দুর রহিম প্রমুখ।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মেহেদী হাসান জানান, উচ্চ ফলনশীল পাই-১০০১ ধান বীজ প্রতিষ্ঠানটির একটি নিজস্ব ব্রাণ্ড। ২০১৯ সালে মাত্র ১৩ কেজি বীজ দিয়ে যাত্রা শুরু হয়। ২০২৬ সালে বাজারে বীজের পরিমান দাড়িয়েছে ৭০ মেট্রিকটনে।

তিনি বলেন, ‘পাই-১০০১’ ধান বীজের ভালো ফলন হয়, রোগ বালাই তেমন নেই এবং এই জাতের ধানের ভাত খেতেও সুস্বাদু। বিঘা প্রতি ফলন ৩৫ মণের উপরে ছাড়িয়েছে। মাত্র কয়েক বছরে কৃষকদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি আমরা। প্রতি বছরই এই ধানবীজের চাহিদা বাড়ছে। আসছে বোরো মৌসুমে ৭০ মেট্রিকটন ধান বীজ বাজারে বিপণন হবে।