০৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

নীলফামারীতে কালবৈখাশী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্থ

নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃস্টিতে ৪৯৩ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। শুক্রবার(২৭ মার্চ) রাতে বয়ে যাওয়া ঝড় শিলাবৃস্টিতে ফসলের এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শনিবার(২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলা কৃষি বিভাগের পক্ষে জানানো হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানানো হয়, নীলফামারী জেলার ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর তান্ডব ও স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির ছোবলে ঘরবাড়ি এবং উঠটি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে গিয়ে প্রাথমিকভাবে একটি ক্ষয়ক্ষতির হিসাব প্রকাশ করেছে।

এতে জানানো হয় ভুট্টা ৩২৫ হেক্টর, বোরো ধান ১৫০ হেক্টর, মরিচ ১৫ হেক্টর ও কলা ৩ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে। এরমধ্যে ডিমলা উপজেলার ডিমলা সদর, পূর্ব ছাতনাই ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে ৭৫ হেক্টর ভুট্টা, ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের বোরো ধান ১৫০, ভুট্টা ২০০, মরিচ ১৫ ও কলা ৩ হেক্টর এবং জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ভুট্টা ৫০ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেরর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) জাকির হোসেন এই ক্ষতিটিকে প্রাথমিক জরিপের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জেলায় বোরো,ভুট্টা,মরিচ ও কলা ফসের অর্জিত জমির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯১৩ হেক্টর ছিল। এতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়ে বর্তমানে ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৩ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির নিরুপনের হিসাব চলমাণ রয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট আসলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির আঘাতে প্রায় ২০০টি টিনের ঘর সম্পূর্ণ ছিদ্র হয়ে গেছে। তবে জেলার ত্রাণ ও পূনর্বাসন দপ্তরে বাড়ি-ঘড়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো আসেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে জ্বালানি তেল পাচারের দায়ে ৩ জনের ৬ মাসের কারাদণ্ড, ১ লাখ জরিমানা

নীলফামারীতে কালবৈখাশী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্থ

প্রকাশিত ০৯:৩০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃস্টিতে ৪৯৩ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। শুক্রবার(২৭ মার্চ) রাতে বয়ে যাওয়া ঝড় শিলাবৃস্টিতে ফসলের এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শনিবার(২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলা কৃষি বিভাগের পক্ষে জানানো হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানানো হয়, নীলফামারী জেলার ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর তান্ডব ও স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির ছোবলে ঘরবাড়ি এবং উঠটি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে গিয়ে প্রাথমিকভাবে একটি ক্ষয়ক্ষতির হিসাব প্রকাশ করেছে।

এতে জানানো হয় ভুট্টা ৩২৫ হেক্টর, বোরো ধান ১৫০ হেক্টর, মরিচ ১৫ হেক্টর ও কলা ৩ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে। এরমধ্যে ডিমলা উপজেলার ডিমলা সদর, পূর্ব ছাতনাই ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে ৭৫ হেক্টর ভুট্টা, ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের বোরো ধান ১৫০, ভুট্টা ২০০, মরিচ ১৫ ও কলা ৩ হেক্টর এবং জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ভুট্টা ৫০ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেরর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) জাকির হোসেন এই ক্ষতিটিকে প্রাথমিক জরিপের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জেলায় বোরো,ভুট্টা,মরিচ ও কলা ফসের অর্জিত জমির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯১৩ হেক্টর ছিল। এতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়ে বর্তমানে ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৩ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির নিরুপনের হিসাব চলমাণ রয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট আসলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির আঘাতে প্রায় ২০০টি টিনের ঘর সম্পূর্ণ ছিদ্র হয়ে গেছে। তবে জেলার ত্রাণ ও পূনর্বাসন দপ্তরে বাড়ি-ঘড়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো আসেনি।