০৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

যাচাই বাছাইয়ে নীলফামারীর ৩ ও ৪ আসনের জাতীয়পাটি ও ইসলামী আন্দোলন সহ ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) ও নীলফামারী ৪ (সৈয়দপুর-কিশোরীগঞ্জ) আসনে ছয় জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ে বাতিল করা হয়। শুক্রবার(২ জানুয়ারী) নীলফামারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সকাল ১০টায় নীলফামারী-৩ আসন ও দুপুর ৩টায় নীলফামারী-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। এ সময় প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, নীলফামারী ৩ আসনে চারজন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন প্রার্থী জাতীয়পার্টি (লাঙ্গন) মনোনীত মো. রোহান চৌধুরী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) মনোনীত আমজাদ হোসেন সরকারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ফলে এই আসনে বর্তমানে বৈধ প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দীতা করবেন বিএনপির মনোনীত সৈয়দ আলী ও জামায়াত ইসলামের মনোনীত মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী।

অপর দিকে নীলফামারী-৪ আসনের ১২জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ে চার জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। তারা হলেন রিয়াদ আরফান সরকার, এসএম মামুনুর রশিদ, শাহরিয়ার ফেরদৌস, জোবাইদুর রহমান হীরা।

সুত্র মতে অসম্পূর্ণ হলফনামা এবং হলফনামায় প্রয়োজনীয় সব তথ্য উল্লেখ না থাকা যা হলফনামায় অনেক বিষয় স্পষ্ট করা নেই এবং অনেকের নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী এক শতাংশ ভোটারদের যে সম্মতি দেওয়া হয়েছে সেগুলো সঠিক না পাওয়ায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

এই আসনে বৈধ প্রার্থী হিসাবে ৮ জন রইলেন। তারা হলেন মো. আব্দুল গফুর সরকার (বিএনপি), আব্দুল মুনতাকিম (জামায়াত), মো. সিদ্দিকুল আলম (জাতীয়পাটি) ও মো. জয়নাল আবেদীন(জাপা), মির্জা মো. শওকত আকবর রওশন (বাংলাদেশ জাতীয় পাটি), শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন), নুর মোহাম্মদ (এলডিপি) ও মাইদুল ইসলাম  (বাসদ মার্কসবাদী)।

জেলা প্রশাসক ও জেলা রির্টানীং কর্মকর্তা জানান, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারীর মধ্যে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন পত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

উল্লেখ যে, এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারী) নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ও নীলফামারী-২ (সদর) আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে আবুল হাসনাত মোঃ সাইফুল্লাহ রুবেল ও মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ এর মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাইয়ে বাতিল করা হয়।

আরও উল্লেখ যে, নীলফামারীর মোট চারটি আসনে ৩৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। চারটি আসনের যাচাই বাছাই শেষে তাদের মধ্যে ৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বতিল হওয়ায় বর্তমানে বৈধ প্রার্থী হিসাবে ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীয়তায় থাকলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৈয়দপুরে জাপার এমপি প্রার্থীর নির্মাণাধীন ভবন থেকে কাঠ পড়ে মাথা ফাটলো শিশুর, আহত আরও ২ নারী

যাচাই বাছাইয়ে নীলফামারীর ৩ ও ৪ আসনের জাতীয়পাটি ও ইসলামী আন্দোলন সহ ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

প্রকাশিত ০৭:০০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) ও নীলফামারী ৪ (সৈয়দপুর-কিশোরীগঞ্জ) আসনে ছয় জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ে বাতিল করা হয়। শুক্রবার(২ জানুয়ারী) নীলফামারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সকাল ১০টায় নীলফামারী-৩ আসন ও দুপুর ৩টায় নীলফামারী-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। এ সময় প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, নীলফামারী ৩ আসনে চারজন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন প্রার্থী জাতীয়পার্টি (লাঙ্গন) মনোনীত মো. রোহান চৌধুরী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) মনোনীত আমজাদ হোসেন সরকারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ফলে এই আসনে বর্তমানে বৈধ প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দীতা করবেন বিএনপির মনোনীত সৈয়দ আলী ও জামায়াত ইসলামের মনোনীত মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী।

অপর দিকে নীলফামারী-৪ আসনের ১২জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ে চার জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। তারা হলেন রিয়াদ আরফান সরকার, এসএম মামুনুর রশিদ, শাহরিয়ার ফেরদৌস, জোবাইদুর রহমান হীরা।

সুত্র মতে অসম্পূর্ণ হলফনামা এবং হলফনামায় প্রয়োজনীয় সব তথ্য উল্লেখ না থাকা যা হলফনামায় অনেক বিষয় স্পষ্ট করা নেই এবং অনেকের নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী এক শতাংশ ভোটারদের যে সম্মতি দেওয়া হয়েছে সেগুলো সঠিক না পাওয়ায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

এই আসনে বৈধ প্রার্থী হিসাবে ৮ জন রইলেন। তারা হলেন মো. আব্দুল গফুর সরকার (বিএনপি), আব্দুল মুনতাকিম (জামায়াত), মো. সিদ্দিকুল আলম (জাতীয়পাটি) ও মো. জয়নাল আবেদীন(জাপা), মির্জা মো. শওকত আকবর রওশন (বাংলাদেশ জাতীয় পাটি), শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন), নুর মোহাম্মদ (এলডিপি) ও মাইদুল ইসলাম  (বাসদ মার্কসবাদী)।

জেলা প্রশাসক ও জেলা রির্টানীং কর্মকর্তা জানান, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারীর মধ্যে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন পত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

উল্লেখ যে, এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারী) নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ও নীলফামারী-২ (সদর) আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে আবুল হাসনাত মোঃ সাইফুল্লাহ রুবেল ও মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ এর মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাইয়ে বাতিল করা হয়।

আরও উল্লেখ যে, নীলফামারীর মোট চারটি আসনে ৩৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। চারটি আসনের যাচাই বাছাই শেষে তাদের মধ্যে ৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বতিল হওয়ায় বর্তমানে বৈধ প্রার্থী হিসাবে ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীয়তায় থাকলেন।