০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

নীলফামারীতে ৫৪ বছর পর উদ্ধোধন হলো কসাইখানা

নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে নবনির্মিত কসাইখানার উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকালে জেলা শহরের কলেজ পাড়া এলাকায় ১৮শতাংশ জমির উপর ওই কসাইখানা নির্মাণ করা হয়। আধুনিক মানসম্মত এই কসাইখানার দুটি সেডে একযোগে ২০টি গরু ও ২০টি ছাগল জবাই করা যাবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে নবনির্মিত কসাইখানার ফলোক উন্মোচন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারী পৌরসভার প্রশাসক সাইদুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী তারিক রেজা, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আতিয়ার রহমান প্রমুখ।

আধুনিক মানসম্মত এই কসাইখানার দুটি সেডে একযোগে ২০টি গরু ও ২০টি ছাগল জবাই করা যাবে। ভেটেনারি চিকিৎসকের উপস্থিতিতে শহরের কসাইরা এখানে পশু এনে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে জবাই করতে পারবেন। পৌর নির্ধারিত ইমাম দিয়ে পশুগুলো জবাই করা হবে।

পৌর প্রশাসক জানান, পৌরবাসির দীর্ঘদিনের দাবী ছিলো একটি কসাইখানা স্থাপন। বিচ্ছিন্ন ভাবে পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করা হতো এতদিন। এনিয়ে নানা প্রশ্ন ছিলো।

জেলা শহরের নিউ বাবুপাড়ার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানান, বছরের পর বছর গেছে, কসাইরা আমাদের কি খাওয়াইছে কেউ জানিনা। এখন থেকে আমরা মানসম্মত মাংস খেতে পারবো। পরিবেশেও ভাল থাকবে। অতিথের জল্পনা কল্পনা যা আজ থেকে দুর হলো।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, আমরা নির্দিষ্ট এলাকায় জবাই করা পশুর মাংস পাচ্ছি এটি হওয়ার ফলে। এটি আমরা নিশ্চিত করতে পারলাম। নিয়ম অনুসারে এবং স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে এটি পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, পৌরসভা থেকে কসাইদের পরিচয় পত্র প্রদান করা হবে। পরিচয় পত্র ছাড়া কোন কসাইয়ের পশু জবাই করা হবে না। পরে নীলফামারী বড় মাঠ পরিদর্শণ করেন জেলা প্রশাসক। বড় মাঠে মোটর সাইকেল প্রবেশ বন্ধে ব্যারিকেট স্থাপন কাজের উদ্বোধন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৈয়দপুরে জাপার এমপি প্রার্থীর নির্মাণাধীন ভবন থেকে কাঠ পড়ে মাথা ফাটলো শিশুর, আহত আরও ২ নারী

নীলফামারীতে ৫৪ বছর পর উদ্ধোধন হলো কসাইখানা

প্রকাশিত ০২:২১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে নবনির্মিত কসাইখানার উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকালে জেলা শহরের কলেজ পাড়া এলাকায় ১৮শতাংশ জমির উপর ওই কসাইখানা নির্মাণ করা হয়। আধুনিক মানসম্মত এই কসাইখানার দুটি সেডে একযোগে ২০টি গরু ও ২০টি ছাগল জবাই করা যাবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে নবনির্মিত কসাইখানার ফলোক উন্মোচন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারী পৌরসভার প্রশাসক সাইদুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী তারিক রেজা, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আতিয়ার রহমান প্রমুখ।

আধুনিক মানসম্মত এই কসাইখানার দুটি সেডে একযোগে ২০টি গরু ও ২০টি ছাগল জবাই করা যাবে। ভেটেনারি চিকিৎসকের উপস্থিতিতে শহরের কসাইরা এখানে পশু এনে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে জবাই করতে পারবেন। পৌর নির্ধারিত ইমাম দিয়ে পশুগুলো জবাই করা হবে।

পৌর প্রশাসক জানান, পৌরবাসির দীর্ঘদিনের দাবী ছিলো একটি কসাইখানা স্থাপন। বিচ্ছিন্ন ভাবে পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করা হতো এতদিন। এনিয়ে নানা প্রশ্ন ছিলো।

জেলা শহরের নিউ বাবুপাড়ার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানান, বছরের পর বছর গেছে, কসাইরা আমাদের কি খাওয়াইছে কেউ জানিনা। এখন থেকে আমরা মানসম্মত মাংস খেতে পারবো। পরিবেশেও ভাল থাকবে। অতিথের জল্পনা কল্পনা যা আজ থেকে দুর হলো।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, আমরা নির্দিষ্ট এলাকায় জবাই করা পশুর মাংস পাচ্ছি এটি হওয়ার ফলে। এটি আমরা নিশ্চিত করতে পারলাম। নিয়ম অনুসারে এবং স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে এটি পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, পৌরসভা থেকে কসাইদের পরিচয় পত্র প্রদান করা হবে। পরিচয় পত্র ছাড়া কোন কসাইয়ের পশু জবাই করা হবে না। পরে নীলফামারী বড় মাঠ পরিদর্শণ করেন জেলা প্রশাসক। বড় মাঠে মোটর সাইকেল প্রবেশ বন্ধে ব্যারিকেট স্থাপন কাজের উদ্বোধন করা হয়।