১১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বীর প্রতীক ওসমান গনির নামে নীলফামারী ৫৬ বিজিবির প্রধান সড়কের উদ্ধোধন

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের-৫৬ (বিজিবি) নীলফামারী ব্যাটালিয়নের প্রধান সড়কের নামকরণ করা হয়েছে বীর প্রতীক এডি মো. ওসমান গনির নামে।

গতকাল বৃহস্পতিবার(২৪ জুলাই) বেলা ১২টায় নীলফামারী বিজিবি ক্যাম্পে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেন ঠাকুরগাঁও সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল গোলাম রব্বানী। নামফলক উন্মোচন শেষে সেখানে একটি বৃক্ষরোপণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ওসমান গনির পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর পুত্র ডা. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম ও অন্যান্য স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা, উপ-অধিনায়ক মেজর কাজী আসিফ আহমদ, সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সড়কের নামকরণের এই উদ্যোগকে বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রজন্মান্তরে তাঁদের অবদানকে স্মরণ করার একটি প্রয়াস বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৈয়দপুরে জাপার এমপি প্রার্থীর নির্মাণাধীন ভবন থেকে কাঠ পড়ে মাথা ফাটলো শিশুর, আহত আরও ২ নারী

বীর প্রতীক ওসমান গনির নামে নীলফামারী ৫৬ বিজিবির প্রধান সড়কের উদ্ধোধন

প্রকাশিত ০৮:০৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের-৫৬ (বিজিবি) নীলফামারী ব্যাটালিয়নের প্রধান সড়কের নামকরণ করা হয়েছে বীর প্রতীক এডি মো. ওসমান গনির নামে।

গতকাল বৃহস্পতিবার(২৪ জুলাই) বেলা ১২টায় নীলফামারী বিজিবি ক্যাম্পে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেন ঠাকুরগাঁও সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল গোলাম রব্বানী। নামফলক উন্মোচন শেষে সেখানে একটি বৃক্ষরোপণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ওসমান গনির পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর পুত্র ডা. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম ও অন্যান্য স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা, উপ-অধিনায়ক মেজর কাজী আসিফ আহমদ, সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সড়কের নামকরণের এই উদ্যোগকে বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রজন্মান্তরে তাঁদের অবদানকে স্মরণ করার একটি প্রয়াস বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।