১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডোমারে বৃদ্ধের মুখে বিষ দিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

নীলফামারীর ডোমারে মুখে বিষ দিয়ে ও গলাকাটা অবস্থায় একরামুল হক(৬০) নামের এক বৃদ্ধকে উদ্ধার ও পরে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।বৃদ্ধের স্বজনদের অভিযোগ মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার(১ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডোমার থানার পরিদর্শক(তদন্ত) আজগর আলী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার ৩১ আগষ্ট দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় বৃদ্ধ একরামুল হকের মৃত্যু হয়। নিহত একরামুল হক উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া তেলিপাড়া গ্রামের ছকিউল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোরে একরামুল হককে গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া অবস্থায় গুরুতর আহত হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রংপুরে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ওইদিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ভাতিজা রতন ইসলাম বলেন, সেদিন রাতে চাচা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাড়ির বাইরে যান। প্রায় আধা ঘন্টার অধিক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর চাচাতো ভাইয়েরা এসে আমাদের নিখোঁজ হবার বিষয়টি জানান। এরপর আমরা ভোর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাইনি। সকালে একজন স্থানীয় ব্যক্তি এসে জানান, চাচা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। সেখানে গিয়ে প্রথমে আমরা তাকে মৃত মনে করেছিলাম।

পরে শরীর নাড়াচাড়া করলে তিনি জীবিত আছেন বুঝতে পারি। এরপর তাকে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আমাদের ধারণা, গলা কাটার পর চাচার মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একরামুল হকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী বলেন, তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমিজমা সংক্রান্ত একটি বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরে হয়তো তার গলা কেটে সেখানে রেখে যাওয়া হয়েছিল।

বিষয়

ডোমারে বৃদ্ধের মুখে বিষ দিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত ০৮:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নীলফামারীর ডোমারে মুখে বিষ দিয়ে ও গলাকাটা অবস্থায় একরামুল হক(৬০) নামের এক বৃদ্ধকে উদ্ধার ও পরে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।বৃদ্ধের স্বজনদের অভিযোগ মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার(১ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডোমার থানার পরিদর্শক(তদন্ত) আজগর আলী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার ৩১ আগষ্ট দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় বৃদ্ধ একরামুল হকের মৃত্যু হয়। নিহত একরামুল হক উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া তেলিপাড়া গ্রামের ছকিউল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোরে একরামুল হককে গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া অবস্থায় গুরুতর আহত হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রংপুরে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ওইদিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ভাতিজা রতন ইসলাম বলেন, সেদিন রাতে চাচা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাড়ির বাইরে যান। প্রায় আধা ঘন্টার অধিক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর চাচাতো ভাইয়েরা এসে আমাদের নিখোঁজ হবার বিষয়টি জানান। এরপর আমরা ভোর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাইনি। সকালে একজন স্থানীয় ব্যক্তি এসে জানান, চাচা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। সেখানে গিয়ে প্রথমে আমরা তাকে মৃত মনে করেছিলাম।

পরে শরীর নাড়াচাড়া করলে তিনি জীবিত আছেন বুঝতে পারি। এরপর তাকে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আমাদের ধারণা, গলা কাটার পর চাচার মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একরামুল হকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী বলেন, তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমিজমা সংক্রান্ত একটি বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরে হয়তো তার গলা কেটে সেখানে রেখে যাওয়া হয়েছিল।