০৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

প্যারোলে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন নীলফামারী সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ

নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতে হাতকড়া নিয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নেন। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় মঙ্গলবার(৪ আগষ্ট) দুপুরে সার্কিট হাউজ কবরস্থানে মায়ের জানাজা শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০২৪ সালের ৫ আগাস্ট পরবর্তী দুই হত্যা মামলা সহ ৫টি মামলা দায়েরের পর আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। গত বছরের(২০২৫) ৭ সেপ্টেম্বর রংপুর নগরীর একটি ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন ওই যুবলীগ নেতা। এর পর থেকে তিনি রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

শাহিদ মাহমুদের মা রওশন আরা বেগম (৯০) সোমবার বেলা ৩টার দিকে রংপুরের একটি হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত রোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার বাদ জোহর নীলফামারী ডাকবাংলা ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে সার্কিট হাউজ কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয় তাঁর। ওই দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আবেগঘন বক্তব্যও দেন শাহিদ মাহমুদ। অনুষ্ঠনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে অংশ নিতে দেখা যায়।

মরহুমা রওশন আরা বেগম জেলা শহরের থানাপাড়া মহল্লার মরহুম আজিম উদ্দিন আহমেদের সহধর্মীনী ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি পাঁচ ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

রওশন আরা বেগমের ছেলেদের মধ্যে বড় ছেলে মরহুম রবিউল আলম একজন চিকিৎসক ছিলেন। দ্বিতীয় ছেলে রেজাউল আলম বিশিষ্ঠ চর্ম রোগ বিশেষঞ্জ চিকিৎসক এবং রংপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অধাপক, তৃতীয় ছেলে ড. রুস্তম আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, চতুর্থ ছেলে শাহিদ মাহমুদ রাজনীতির পাশাপাশি একটি হিমাগারের চেয়ারম্যান। ছোট ছেলে তারিক মাহমুদ ঢাকার একটি বিদ্যুৎ কম্পানীর কর্মকর্তা।

এছাড়া বড় মেয়ে লায়লা আরজু মান্দ বানু নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও অপর মেয়ে খালেদা বেগম খুলনার একটি বেসরকারি কলেজ শিক্ষক ছিলেন। তারা দুইজনে অবসরে গেছেন।

সৈয়দপুরে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়া ও দূর্নীতির অভিযোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের

প্যারোলে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন নীলফামারী সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ

প্রকাশিত ০৬:৪৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতে হাতকড়া নিয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নেন। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় মঙ্গলবার(৪ আগষ্ট) দুপুরে সার্কিট হাউজ কবরস্থানে মায়ের জানাজা শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০২৪ সালের ৫ আগাস্ট পরবর্তী দুই হত্যা মামলা সহ ৫টি মামলা দায়েরের পর আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। গত বছরের(২০২৫) ৭ সেপ্টেম্বর রংপুর নগরীর একটি ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন ওই যুবলীগ নেতা। এর পর থেকে তিনি রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

শাহিদ মাহমুদের মা রওশন আরা বেগম (৯০) সোমবার বেলা ৩টার দিকে রংপুরের একটি হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত রোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার বাদ জোহর নীলফামারী ডাকবাংলা ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে সার্কিট হাউজ কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয় তাঁর। ওই দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আবেগঘন বক্তব্যও দেন শাহিদ মাহমুদ। অনুষ্ঠনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে অংশ নিতে দেখা যায়।

মরহুমা রওশন আরা বেগম জেলা শহরের থানাপাড়া মহল্লার মরহুম আজিম উদ্দিন আহমেদের সহধর্মীনী ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি পাঁচ ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

রওশন আরা বেগমের ছেলেদের মধ্যে বড় ছেলে মরহুম রবিউল আলম একজন চিকিৎসক ছিলেন। দ্বিতীয় ছেলে রেজাউল আলম বিশিষ্ঠ চর্ম রোগ বিশেষঞ্জ চিকিৎসক এবং রংপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অধাপক, তৃতীয় ছেলে ড. রুস্তম আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, চতুর্থ ছেলে শাহিদ মাহমুদ রাজনীতির পাশাপাশি একটি হিমাগারের চেয়ারম্যান। ছোট ছেলে তারিক মাহমুদ ঢাকার একটি বিদ্যুৎ কম্পানীর কর্মকর্তা।

এছাড়া বড় মেয়ে লায়লা আরজু মান্দ বানু নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও অপর মেয়ে খালেদা বেগম খুলনার একটি বেসরকারি কলেজ শিক্ষক ছিলেন। তারা দুইজনে অবসরে গেছেন।