০২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

কিশোরগঞ্জে স্কুল ফান্ডের টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে মানববন্ধন

বিদ্যালয় ফান্ডের টাকা, দোকান ঘরের মাসিকভাড়াসহ লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমা না করে ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্টান বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহল। রবিবার বেলা সারে ১১ টা থেকে সারে বারোটা পর্যন্ত প্রায় একঘন্টাব্যাপি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে এ মানবন্ধন করে তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালের পর থেকে বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি না থাকার সুবাধে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম আজম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম নিজের ইচ্ছেমত সরকার কর্তক পরিপত্রের তোয়াক্কা না করে মনগড়াভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসতেছে। বিদ্যালয়টিতে নতুন বছরে লটারীর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির কথা থাকলে শিক্ষকগন ভর্তি ফরম বাবদ ২শ টাকা, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে রশিদের মাধ্যমে ৫শ টাকা নেয়ার বিধান থাকলেও কোন প্রকার রশিদ ছাড়াই ১৭৯৫ টাকা আদায় করা হয়েছে।

আদায়কৃত টাকা স্কুল ফান্ডে জমা রাখার বিধান থাকলেও তা ফান্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এসময় বক্তারা আরো বলেন, বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক গোলাম আগামী ৩ মার্চ অবসরে যাবেন। এই সুযোগে সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম কয়েকজন শিক্ষককে সাথে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট করে ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করে নতুন করে বিদ্যালয়ের সামনে দোকানঘর নির্মান করছে। বিদ্যালয় কর্তপক্ষকে বার বার দোকানঘরের নির্মান কাজ বন্ধ করার দাবি জানালে তারা কোন কর্নপাত করছেনা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষাথী ওবায়দুর রহমান ,নজরুল ইসলাম দুলু, আব্দুল মালেক, আব্দুর রাজ্জাক, আবু সায়েম প্রমুখ।

ওই বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য মাসুদরানা বলেন, আমি সকল অভিভাবকদের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওই বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়ার কাছে লিখিতভাবে সব কিছু অবগত করলেও তিনি কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করেননি।

কিশোরীগঞ্জ বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম আজম বলেন, আমি আগামী ৩ মার্চ অবসর গ্রহন করব। আমি এগুলা কিছুই জানিনা যা করছে সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ও তাঁর অনুসারিরা করেছে। সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে কেউ যে কোন অভিযোগ আনতে পারে।

আমার উপরে প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সভাপতি রয়েছে আমার কি ক্ষমতা আছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওই বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

ডোমারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি উৎপাদন: সন্তোষী মুড়ি মিলকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

কিশোরগঞ্জে স্কুল ফান্ডের টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত ০৩:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

বিদ্যালয় ফান্ডের টাকা, দোকান ঘরের মাসিকভাড়াসহ লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমা না করে ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্টান বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহল। রবিবার বেলা সারে ১১ টা থেকে সারে বারোটা পর্যন্ত প্রায় একঘন্টাব্যাপি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে এ মানবন্ধন করে তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালের পর থেকে বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি না থাকার সুবাধে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম আজম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম নিজের ইচ্ছেমত সরকার কর্তক পরিপত্রের তোয়াক্কা না করে মনগড়াভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসতেছে। বিদ্যালয়টিতে নতুন বছরে লটারীর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির কথা থাকলে শিক্ষকগন ভর্তি ফরম বাবদ ২শ টাকা, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে রশিদের মাধ্যমে ৫শ টাকা নেয়ার বিধান থাকলেও কোন প্রকার রশিদ ছাড়াই ১৭৯৫ টাকা আদায় করা হয়েছে।

আদায়কৃত টাকা স্কুল ফান্ডে জমা রাখার বিধান থাকলেও তা ফান্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এসময় বক্তারা আরো বলেন, বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক গোলাম আগামী ৩ মার্চ অবসরে যাবেন। এই সুযোগে সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম কয়েকজন শিক্ষককে সাথে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট করে ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করে নতুন করে বিদ্যালয়ের সামনে দোকানঘর নির্মান করছে। বিদ্যালয় কর্তপক্ষকে বার বার দোকানঘরের নির্মান কাজ বন্ধ করার দাবি জানালে তারা কোন কর্নপাত করছেনা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষাথী ওবায়দুর রহমান ,নজরুল ইসলাম দুলু, আব্দুল মালেক, আব্দুর রাজ্জাক, আবু সায়েম প্রমুখ।

ওই বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য মাসুদরানা বলেন, আমি সকল অভিভাবকদের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওই বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়ার কাছে লিখিতভাবে সব কিছু অবগত করলেও তিনি কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করেননি।

কিশোরীগঞ্জ বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম আজম বলেন, আমি আগামী ৩ মার্চ অবসর গ্রহন করব। আমি এগুলা কিছুই জানিনা যা করছে সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ও তাঁর অনুসারিরা করেছে। সহকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে কেউ যে কোন অভিযোগ আনতে পারে।

আমার উপরে প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সভাপতি রয়েছে আমার কি ক্ষমতা আছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওই বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।