সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র না পেয়ে নীলফামারীতে মানববন্ধন করেছেন বঞ্চিতরা। রোববার বেলা ৩টার দিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে লিখিত আবেদনপত্র দাখিল করেন আন্দোলনকারীরা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নিয়োগ বঞ্চিতরা অভিযোগ করে বলেন, ‘নিয়োগ প্রক্রিয়ার সকল ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর চূড়ান্তভাবে আমরা সুপারিশপ্রাপ্ত হই। কিন্তু আমাদের নিয়োগ পত্র আটকে রাখা হয়েছে। লিখিত ভাবে আমাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, নেতিবাচক ভেরিফিকেশনের তথ্য বা অযোগ্যতার কারণ প্রকাশ করা হয়নি। এতে করে আমরা চরম মানসিক যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।’
নিয়োগ বঞ্চিত মো. নূর উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ‘চুড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র না দেওয়ার কারণ আমাদের লিখিতভাবে স্পষ্ট করা হয়নি। পুলিশ ভেরিফিকেশন, ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন বা এনএসআই প্রতিবেদনে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি
অযোগ্যতার পেছনে কোনো প্রশাসনিক নীতি, আইন বা বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত শর্ত থাকলে তা অবহিত করা প্রয়োজন ছিল। একই প্রক্রিয়ায় অন্যান্য প্রার্থীরা নিয়োগপত্র পেলেও আমাদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হওয়ার যৌক্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।’
নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্র মতে, জেলায় ২১৯ জন প্রার্থী সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এদের মধ্যে ৬জন তাদের কাগজ-পত্র জমা দেননি। ১৬২ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। নিয়োগ বঞ্চিত হন ৫১জন প্রার্থী।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের দাবির বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অবহিত করা হবে। পরবর্তি নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’























