নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের আতিয়ার কলোনী রসুলপুর এলাকার শান্ত টাওয়ার নামে একটা বহুতল ভবন থেকে এক ছেলে ও এক মেয়েকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধায় সৈয়দপুর থানার পুলিশ তাদের আটক করে।
আটক ছেলেটির নাম জীবন (৩০)। সে সৈয়দপুর শহরের রসুলপুর এলাকার ছেলে। আর মেয়ের নাম সুমাইয়া ইসলাম ইলা মনি (১৭ বছর ৮ মাস)। সে টঙ্গীর আরিশপুর জামাই বাজার এলাকার আরিফুল ইসলাম জুয়েলের মেয়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটক ইলা তার খালা আকলিমা আক্তার (৩০) সহ এক সপ্তাহ আগে টঙ্গী থেকে সৈয়দপুরে এসেছে। এখানকার রসুলপুর এলাকার মোস্তাক আলীর ছেলে রহিত ও আটক জীবন তাদের নিয়ে এসেছে।
কিন্তু ইলা ও আকলিমার পরিবারের কেউ জানেনা। তাই তারা দুইজনের খোঁজে আত্মীয় স্বজনসহ পর্যায়ক্রমে সৈয়দপুরে আসে। সারাদিন বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজির পর আতিয়ার কলোনির শান্ত টাওয়ারে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়।
পরে এলাকাবাসী ও পুলিশের সহায়তায় শান্ত টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে ইলা ও জীবনকে পাওয়া যায়। কিন্তু আকলিমা ও রহিতকে এখনো পাওয়া যায়নি। ইলার পরিবারের দাবি তাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে আকলিমা, রহিত ও জীবন ফুসলিয়ে নিয়ে এসেছে।
কিন্তু ইলা মনি জানায়, সৈয়দপুরের আতিয়ার কলোনীতে এক বিয়ে বাড়িতে এসে জীবনের সাথে পরিচয়। এখন তারা স্বামী স্ত্রী। একইভাবে তার খালার সাথে রহিতের পরিচয় এবং তারাও বিয়ে করেছে। বিয়ের পর থেকে তারা শান্ত টাওয়ারে অবস্থান করছে।
তবে তারা বিয়ের কোন প্রমাণপত্র দেখাতে পারেনি। তাই পুলিশ ইলার বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইলা ও জীবনকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়া এবং আকলিমা ও রহিতকে আটকের প্রচেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, শান্ত টাওয়ার নামক বহুতল ভবনটি রেলওয়ে ঠিকাদার লিটনের বলে জানা। সেখানে স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে ওই চারজন বাসা ভাড়া নিয়েছিল। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সৈয়দপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)রেজাউল করিম রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, টঙ্গী থানার মামলায় তাদের আটক দেখানো হয়েছে। তাদের টঙ্গী থানা পুলিশের হেফাজতে নিয়ে চাওয়া হয়েছে।














